ইউপিএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় স্বস্তি, আগামী রবিবার সকাল ৭টা থেকেই ছুটবে কলকাতা মেট্রো – এবেলা

ইউপিএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় স্বস্তি, আগামী রবিবার সকাল ৭টা থেকেই ছুটবে কলকাতা মেট্রো – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

আগামী ২৪ মে, রবিবার দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (ইউপিএসসি)-এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এই সর্বভারতীয় পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। অন্যান্য রবিবারের তুলনায় আগামী রবিবার দুই ঘণ্টা আগে থেকেই চালু হয়ে যাবে মেট্রো চলাচল। সাধারণত রবিবার সকাল ৯টায় পরিষেবা শুরু হলেও, এই বিশেষ দিনে সকাল ৭টা থেকেই ট্রেন পাবেন যাত্রীরা। শুক্রবার বিকেলে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সময়সূচি পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন মেট্রোরেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক।

পরীক্ষার্থীদের সুবিধায় অতিরিক্ত ট্রেন

মেট্রো কর্তৃপক্ষের নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ব্লু লাইন এবং গ্রিন লাইন— উভয় রুটেই সকাল ৭টা থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। ব্লু লাইনে ডাউন লাইনে দক্ষিণেশ্বর ও দমদম থেকে এবং আপ লাইনে মহানায়ক উত্তম কুমার ও শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশন থেকে সকাল ৭টায় প্রথম মেট্রো ছাড়বে। সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত প্রতি আধঘণ্টা অন্তর ট্রেন মিলবে। এরপর থেকে স্বাভাবিক সূচি মেনে ট্রেন চলবে। রাতের শেষ মেট্রোর সময়সূচিতে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। পরিষেবার বহর বাড়াতে এই রবিবারে ব্লু লাইনে আপ-ডাউনে সাধারণত চলা ১৫২টি ট্রেনের পরিবর্তে ১৬০টি ট্রেন চালানো হবে।

একইভাবে গ্রিন লাইনেও হাওড়া ময়দান এবং সল্টলেক সেক্টর ফাইভ— দুই প্রান্ত থেকেই সকাল ৭টা থেকে মেট্রো পরিষেবা চালু হয়ে যাবে। এই রুটেও সকাল ৯টা পর্যন্ত ৩০ মিনিট পরপর ট্রেন পাওয়া যাবে। এই লাইনে ট্রেনের সংখ্যা ১০৮ থেকে বাড়িয়ে ১১৬টি করা হয়েছে। তবে ইয়েলো লাইন অর্থাৎ নোয়াপাড়া থেকে জয়হিন্দ বিমানবন্দর রুটে সময়ের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না; সেখানে সকাল ৯টা থেকেই ট্রেন চলবে। এছাড়া পার্পল ও অরেঞ্জ লাইনে বরাবরের মতোই রবিবার পরিষেবা বন্ধ থাকবে।

কারণ ও সম্ভাব্য প্রভাব

ইউপিএসসি পরীক্ষার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্তরের পরীক্ষায় হাজার হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন, যাদের সকাল সকাল পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানো বাধ্যতামূলক। রবিবারের সকালে গণপরিবহন তুলনামূলক কম থাকায় পরীক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়ার আশঙ্কা থাকে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের এই আগাম ও সংবেদনশীল সিদ্ধান্তের ফলে পরীক্ষার্থীরা যানজট এড়িয়ে অত্যন্ত দ্রুত, নিরাপদ ও মানসিক চাপমুক্তভাবে সঠিক সময়ে নিজ নিজ কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারবেন। অতিরিক্ত ট্রেনের ব্যবস্থা করায় মেট্রো স্টেশনগুলোতেও অতিরিক্ত ভিড় সামাল দেওয়া সহজ হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *