আগ্রায় পণের দাবিতে গৃহবধূর বেডরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা, শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
আগ্রার ট্রান্স-যমুনা এলাকায় অতিরিক্ত পণের দাবিতে এক গৃহবধূর ওপর অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। ২০১৯ সালে কপিল দেবের সঙ্গে বিয়ে হওয়া ওই গৃহবধূর অভিযোগ, ১৫ লক্ষ টাকার বেশি যৌতুক দেওয়ার পরেও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা একটি গাড়ি ও নগদ ২ লক্ষ টাকার দাবিতে তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাতেন। দুই সন্তানের জননী ওই মহিলার দাবি, পণের দাবি পূরণ না হওয়ায় তাঁকে ক্রমাগত লাঞ্ছিত করা হতো।
নির্যাতিতার অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর ওপর নজরদারি চালাতে এবং তাঁকে মানসিকভাবে হেনস্থা করতে শোবার ঘর ও রান্নাঘরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়েছিলেন তাঁর দেওর। ক্যামেরা সরাতে বলায় অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুই নাবালক সন্তানসহ তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এমনকি গুরুতর অসুস্থ ছোট ছেলের চিকিৎসার খরচ দিতেও অস্বীকার করে তাঁর শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা।
বর্তমানে ওই গৃহবধূ পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর অভিযোগ, গয়না ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র শ্বশুরবাড়ির লোকজন আটকে রেখেছে এবং তা ফেরত দিতে চাইছে না। এই লজ্জাজনক ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।

