আসামের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে পাক চর সন্দেহে গ্রেপ্তার ১, গাজিয়াবাদে পর্দাফাস বড়সড় স্পাই রিংয়ের – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
ভারতীয় বায়ুসেনা এবং রাজস্থান পুলিশের যৌথ অভিযানে আসামের চাবুয়া এয়ারফোর্স স্টেশনের কর্মী সুমিত কুমারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা ওই মাল্টি-টাস্কিং স্টাফের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে বায়ুসেনার অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গোপনীয় তথ্য পাচারের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে জানা গেছে, ২০২৩ সাল থেকে অর্থের বিনিময়ে সে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। গত জানুয়ারিতে জয়সলমীর থেকে ধৃত এক সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরেই এই বড় সাফল্য মিলেছে।
একই যোগসূত্রে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে আইএসআই সমর্থিত একটি বিশাল গুপ্তচর নেটওয়ার্কের হদিস পেয়েছে পুলিশ। এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড নওশাদ আলী অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে দরিদ্র যুবক এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ করত। অভিযানে একজন মহিলা ও এক নাবালকসহ আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই নিয়ে উক্ত মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হলো। ধৃতরা ভারতীয় সেনাবাহিনীর গতিবিধির ওপর নজরদারি এবং নাশকতামূলক হামলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল বলে জানা গেছে।
বায়ুসেনা ও পুলিশি তদন্তে উঠে আসা এই তথ্য দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। চাবুয়া এয়ারবেস থেকে তথ্য পাচারের ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। অন্যদিকে, গাজিয়াবাদের এই স্পাই রিং ভেঙে দিয়ে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক বানচাল করতে সক্ষম হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। বর্তমানে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই নেটওয়ার্কের শিকড় কতদূর বিস্তৃত, তা জানার চেষ্টা চলছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা এই গুপ্তচর চক্র দমনে সতর্ক নজরদারি জারি রয়েছে।

