ইরানে হামলার নীলকশা ট্রাম্পের, দুই দফার সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি হোয়াইট হাউসের
আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এখন যুদ্ধের দোরগোড়ায়। হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহেই তেহরানে হামলার আভাস দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মূলত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি স্থায়ীভাবে বন্ধ করাই এই অভিযানের প্রাথমিক লক্ষ্য। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানোই ট্রাম্প প্রশাসনের মূল উদ্দেশ্য হতে পারে।
প্রস্তাবিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, এই আক্রমণ পরিচালিত হবে দুটি সুনির্দিষ্ট দফায়। প্রথম পর্যায়ে ‘ওয়ার্নিং স্ট্রাইক’ হিসেবে ইরানের সেনা ছাউনি ও সরকারি দফতরগুলোতে সীমিত বিমান হামলা চালানো হবে। এর মাধ্যমে ইউরেনিয়াম মজুত ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা বন্ধের কড়া বার্তা দেওয়া হবে। পরবর্তী ৩ দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
দ্বিতীয় দফায় ‘অল আউট অ্যাটাক’ বা পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা রয়েছে আমেরিকার। এই পর্যায়ে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলো সরাসরি ধ্বংস করার পাশাপাশি স্থলপথে সেনা অভিযানের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে শক্তিশালী যুদ্ধবিমান ও রণতরী মোতায়েন করেছে পেন্টাগন। ১৯৭৯ সালের পর বর্তমানে ইরান সরকার সবথেকে দুর্বল অবস্থানে থাকায় এই পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

