এই ১০ আসনে হারলেই কি নবান্ন হাতছাড়া? মমতার দুর্গে পদ্ম ফোটানোর ছক বিজেপির – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
ভোটের অঙ্ক বলছে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভাগ্য নির্ধারণ করবে রাজ্যের ১০টি বিশেষ আসন। বালিগঞ্জ থেকে ভবানীপুর, ঘাসফুল শিবিরের এই অভেদ্য দুর্গগুলোতে ফাটল ধরাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কেন্দ্রগুলোতে অঘটন ঘটলে রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবি নিশ্চিত।
বালিগঞ্জ ও রাসবিহারী
প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের এই গড় এখন তৃণমূলের প্রেস্টিজ ফাইট। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের অভিজ্ঞতার সামনে বিজেপির শতরূপা কতটা টক্কর দেবেন, তার ওপর নির্ভর করছে কলকাতার রাজনৈতিক সমীকরণ।
নাকাশিপাড়া ও বজবজ
নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় দীর্ঘ ২৫ বছরের বিধায়ক কল্লোল খাঁ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণার হেভিওয়েট অশোক দেবের আসনে হার মানেই জেলাস্তরে তৃণমূলের সাংগঠনিক ধস। বাম আমল থেকেও যে দুর্গ অক্ষত ছিল, সেখানে এবার পরিবর্তনের হাওয়া দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে।
বেহালা পশ্চিম ও হাবরা
পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অনুপস্থিতিতে এই দুই কেন্দ্রে ভোট যুদ্ধ এবার ভিন্ন মাত্রায়। রত্না চট্টোপাধ্যায়ের লড়াই এবং হাবরায় তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রীর অভাব মেটানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
ডায়মন্ড হারবার ও সিঙ্গুর
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়ে বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদারের লড়াই এবং সিঙ্গুরের টাটা-বিরোধী আন্দোলনের জমিতে বেচারাম মান্নার ভবিষ্যৎ বলে দেবে গ্রাম বাংলার হাওয়া কোন দিকে।
ভবানীপুর: চূড়ান্ত লড়াই
সব নজর যেখানে আটকে, তা হলো ভবানীপুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিজের কেন্দ্রে হার মানে গোটা রাজ্যেই তৃণমূল জমানার পতনের ইঙ্গিত।

