খামেনেই খতম, ইরানে আমেরিকার বিধ্বংসী পরমাণু হামলা! – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে এবার চরম সংঘাত। ইজরায়েলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইরানের ওপর সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ইরান। এই ভয়াবহ অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই, যা গোটা বিশ্বে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী এই অভিযানে তাদের সবচেয়ে আধুনিক বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে। পারমাণবিক শক্তিচালিত এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার থেকে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে ইরানের সামরিক ও সরকারি কেন্দ্রগুলোতে। পেন্টাগন জানিয়েছে, ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দিতেই এই নজিরবিহীন হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার ভয়াবহতা ও পাল্টা প্রতিরোধ
আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান জুড়ে এখন শুধুই ধ্বংসের চিহ্ন। আকাশ ঢেকেছে কালো ধোঁয়ায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ২০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে ইরানও হাত গুটিয়ে বসে নেই। পাল্টা প্রতিশোধ নিতে তারা ইজরায়েল ছাড়াও সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ এবং দুবাই লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন কার্যত আগ্নেয়গিরির ওপর দাঁড়িয়ে।
ইরানের পরবর্তী নেতৃত্বে কারা?
খামেনেইর মৃত্যুর পর ইরানের শাসনব্যবস্থায় বড়সড় রদবদল ঘটেছে। ক্ষমতার শূন্যস্থান পূরণে গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদ। এই পরিষদে অন্তর্বর্তী বিচার বিশেষজ্ঞ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আলিরেজা আরাফিকে। তবে খামেনেইর উত্তরসূরি হিসেবে স্থায়ীভাবে কে আসবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
এই যুদ্ধের আগুনে ঘি ঢেলেছে আমেরিকার অত্যাধুনিক মারণাস্ত্রের ব্যবহার। এখন দেখার বিষয়, ইরান ও তার মিত্র দেশগুলো এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতির পর কত বড় পাল্টা আঘাত হানে।

