লেটেস্ট নিউজ

টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬: সিকান্দার রাজার নেতৃত্বে ‘পেশাদার ঘাতক’ জিম্বাবোয়ের উত্থান

চলমান টি-২০ বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ে এক নতুন ও অপ্রতিরোধ্য রূপে আবির্ভূত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী দলকে হারানোর পর কোনো বিশেষ উচ্ছ্বাস না দেখিয়ে ক্রিকেটারদের শান্ত ও সংযত আচরণ নজর কেড়েছে ক্রিকেট বিশ্বের। অধিনায়ক সিকান্দার রাজার এই বিশেষ রণকৌশল অনেকটা মহেন্দ্র সিং ধোনির দর্শনের মতো—যেখানে জয়কে মিরাকল নয়, বরং নিয়মিত ও প্রত্যাশিত ফল হিসেবে দেখা হয়। দলটি এখন আর নিজেদের ‘আন্ডারডগ’ নয়, বরং সমান শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করছে।

এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে রাজার নিখুঁত পরিকল্পনা এবং ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স। পেসার ব্লেসিং মুজারাবানি যেমন সুনির্দিষ্ট লাইন-লেংথে বল করে ব্যাটারদের চাপে রাখছেন, তেমনি তরুণ ব্রায়ান বেনেট অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় দলের ইনিংস মজবুত করছেন। সুপার এইটে ওঠাকে স্রেফ একটি লক্ষ্যপূরণ হিসেবে দেখছে রাজা বাহিনী। আবেগ বর্জন করে মাঠের প্রতিটি মুহূর্তে কার্যকর প্রয়োগ বা ‘এক্সিকিউশন’-এ বিশ্বাসী হয়ে ওঠাই তাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে সুপার এইটে ওঠা জিম্বাবোয়ে এখন ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো বড় দলগুলোর জন্য বড় হুমকি। বিশেষ করে মুজারাবানির বাউন্স এবং বেনেটের পরিণত ব্যাটিং বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জিম্বাবোয়ের বর্তমান মানসিক দৃঢ়তাই তাদের সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্র। এবারের বিশ্বকাপে তারা স্রেফ অঘটন ঘটাতে নয়, বরং হিসেব কষা পেশাদারিত্ব নিয়ে শিরোপার দাবিদার হিসেবে মাঠে নেমেছে যা টিম ইন্ডিয়ার জন্য এক বড় সতর্কবার্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *