লেটেস্ট নিউজ

ট্রাম্পের সামনে খামেনির মৃতদেহ! মার্কিন-ইজরায়েল যৌথ অপারেশনের সেই হাড়হিম করা মুহূর্ত – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

তেহরান: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু সংবাদে কাঁপছে বিশ্ব রাজনীতি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের এক দুঃসাহসিক যৌথ অভিযানে খামেনির দীর্ঘ শাসনকালের অবসান ঘটেছে। খামেনিকে কীভাবে খতম করা হলো, সেই পরিকল্পনার প্রতিটি পর্যায় এখন প্রকাশ্যে আসছে যা রীতিমতো শিউরে ওঠার মতো।

আল শামখানির ওপর নজরদারি এবং চূড়ান্ত মোক্ষম আঘাত

দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলী শামখানির গতিবিধির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছিল ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ও মার্কিন সিআইএ। শনিবার যখন শামখানি তেহরানের এক গোপন আস্তানায় খামেনির সঙ্গে বৈঠক করতে যান, তখনই নেমে আসে চূড়ান্ত ধ্বংসলীলা। আকাশপথে মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনীর অতর্কিত হামলায় ধুলিসাৎ হয়ে যায় সেই গোপন বাঙ্কার। ৮৬ বছর বয়সী খামেনির পাশাপাশি এই হামলায় তাঁর মেয়ে, জামাই ও নাতি-নাতনিদেরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

ট্রাম্পের উপস্থিতি এবং নেতানিয়াহুর বড় ঘোষণা

অভিযান শেষে খামেনির মৃতদেহ প্রথম দেখানো হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। এর পরেই ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দম্ভের সাথে ঘোষণা করেন, “আমরা আজ এক বিশেষ অভিযানে খামেনিকে খতম করেছি।” পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এই অভিযানের সাফল্যে সিলমোহর দেন।

চরম প্রতিশোধের হুঙ্কার ইরানের

খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরেই ফুঁসছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম থেকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, “আমেরিকা ও ইজরায়েলকে এই হত্যাকাণ্ডের চরম মূল্য দিতে হবে। খামেনির রক্তের প্রতি ফোঁটার প্রতিশোধ নেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুন মাসেও আলী শামখানিকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু সেবার তিনি অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও এবার আর শেষ রক্ষা হলো না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *