ট্রাম্পের হুঙ্কার সত্ত্বেও পিছু হটল আমেরিকা! কার্যকর হলো কম শুল্ক – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৫ শতাংশ শুল্ক বসানোর কড়া হুঁশিয়ারি শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পেল না। মঙ্গলবার রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে আমেরিকার শুল্ক ও সীমান্ত রক্ষা সংস্থা (সিবিপি) নতুন নিয়ম কার্যকর করলেও, আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্কের হার ১০ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। Supreme \titleonly কোর্টের সাম্প্রতিক আইনি মারপ্যাঁচ এবং প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণেই ট্রাম্প প্রশাসন আপাতত নিজের অবস্থান থেকে কিছুটা নমনীয় হতে বাধ্য হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আদালতের রায়ে ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জাতীয় জরুরি অবস্থা আইন ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশের ওপর একতরফাভাবে শুল্ক আরোপের যে পরিকল্পনা করেছিলেন, তাকে ‘প্রেসিডেন্ট ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসেবে গণ্য করেছে মার্কিন Supreme \titleonly কোর্ট। গত শুক্রবার আদালতের রায়ে স্পষ্ট জানানো হয়, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের অতিরিক্ত শুল্ক বসানো অবৈধ। আদালতের এই কঠোর অবস্থানের পর হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে স্বীকার করে নিয়েছে যে, আইইইপিএ-র অধীনে আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক আর কার্যকর রাখা সম্ভব নয়।
সাময়িক স্বস্তি নাকি ভবিষ্যতের সংকেত
আইনি জটিলতার কারণে ১৫ শতাংশের বদলে ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর করা হলেও, হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে ভবিষ্যতে এই হার ১৫ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে ১৯৭৪ সালের মার্কিন বাণিজ্য আইনের ১২২ নম্বর ধারা অনুযায়ী এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এই আইনের সীমাবদ্ধতা হলো, কংগ্রেসের চূড়ান্ত অনুমোদন ছাড়া এই শুল্ক ১৫০ দিনের বেশি কার্যকর রাখা সম্ভব নয়। ফলে বর্তমানের এই ১০ শতাংশ শুল্ক একটি সাময়িক পদক্ষেপ মাত্র।
বিশ্ব বাণিজ্যে প্রভাব
ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতি নিয়ে বিশ্ববাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। যদিও ১৫ শতাংশের বদলে ১০ শতাংশ কার্যকর হওয়ায় রফতানিকারক দেশগুলো কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে, তবে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন আইনি পথ খুঁজে বের করে পুনরায় শুল্ক বৃদ্ধির চেষ্টা চালাবে, যা আগামী দিনগুলোতে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে চাপের সৃষ্টি করতে পারে।
