তৈল সংকট ও নির্বাচনী ডিউটির জোড়া ফলায় বিপর্যস্ত জনজীবন: চরমে বাস দুর্ভোগ – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে দেশজুড়ে তৈরি হওয়া তীব্র তৈল সংকটের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলার গণপরিবহণে। জ্বালানির পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় রাস্তা থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে সরকারি ও বেসরকারি বাসের সংখ্যা। শুধু পেট্রল বা ডিজেল নয়, ইরান-আমেরিকা সংঘাতের আবহে টান পড়েছে সিএনজি-র ভাণ্ডারেও। ফলে বিকল্প জ্বালানির গাড়িগুলিও ক্রমেই উধাও হচ্ছে রাস্তা থেকে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে।
জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি দোসর হয়েছে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। ভোট গ্রহণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বাস ও মিনিবাস রিিশন বা হুকুম দখলের প্রক্রিয়া। তবে নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত গাড়ির ভাড়ার হার নিয়ে মালিক সংগঠনগুলোর মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ঝঞ্ঝাট এড়াতে অনেক মালিকই রাস্তায় গাড়ি নামানো বন্ধ রেখেছেন। এর ফলে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
আগামী ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা এবং ৬ মে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্যা মেটার কোনো সম্ভাবনা নেই। একদিকে বাস ভাড়ার অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি এবং অন্যদিকে পর্যাপ্ত বাস না থাকায় যাত্রী দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। দিন হোক বা রাত, গন্তব্যে পৌঁছাতে আমজনতার নাভিশ্বাস উঠছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গণপরিবহণ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এখন প্রশাসনের কাছে এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

