নাবালিকাকে খুনের চেষ্টা ও লুটপাটে দোষী সাঁতার প্রশিক্ষক, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের
কলকাতার চিৎপুর এলাকায় নাবালিকাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে টাকা ও গয়না লুটের ঘটনায় সাঁতার প্রশিক্ষক সন্দীপ সাউকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল শিয়ালদহ আদালত। ২০১৫ সালের মার্চ মাসের এই ঘটনায় শনিবার সাজা ঘোষণা করেন বিচারক অনির্বাণ দাস। এর আগে শুক্রবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছে নির্যাতিতার পরিবার।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালের ১৮ মার্চ দুপুরে চিৎপুরের একটি ফ্ল্যাটে নাবালিকা একা থাকার সুযোগে হানা দেয় অভিযুক্ত সন্দীপ। সে আলমারি থেকে টাকা ও গয়না হাতানোর সময় নাবালিকা বাধা দিলে তাকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে অভিযুক্ত চম্পট দিলেও প্রতিবেশীদের সহায়তায় প্রাণে বেঁচে যায় ওই নাবালিকা।
পুলিশি তদন্তে মোট ২২ জন সাক্ষীর বয়ান গ্রহণ করা হয়। প্রসিকিউশন পক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে যে, চিকিৎসার বাহানায় ফ্ল্যাটে ঢুকে সন্দীপ এই নৃশংস কাণ্ড ঘটিয়েছিল। সব দিক বিবেচনা করে আদালত অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি কঠোর শাস্তির নির্দেশ দেয়। আদালতের এই সিদ্ধান্ত অপরাধ দমনে একটি দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

