নাসিকা বিভেদ ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, জ্যোতিষশাস্ত্রে নাকের গঠনের গুরুত্ব
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, মানুষের শরীরের প্রতিটি অঙ্গ কোনো না কোনো গ্রহের প্রভাবাধীন। পঞ্চেন্দ্রিয়ের অন্যতম অঙ্গ নাক মূলত বৃহস্পতি গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত। শাস্ত্র মতে, জাতক-জাতিকার নাকের গঠন তাদের পূর্বজন্মের কর্মফল এবং জন্মকুণ্ডলীতে বৃহস্পতির অবস্থানের ওপর নির্ভর করে। বৃহস্পতি শুভ অবস্থানে থাকলে নাসিকা গঠন সুন্দর ও আকর্ষণীয় হয়।
নাকের ভিন্ন আকৃতি জাতকের ব্যক্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। উঁচু বা টিকোলো নাক উচ্চশিক্ষার পথ প্রশস্ত করে। অর্ধচন্দ্রাকৃতি নাকের অধিকারীরা সাধারণত সৎ, সহনশীল এবং প্রশাসনিক কাজে দক্ষ হয়ে থাকেন। আবার যাদের নাক কপালের সঙ্গে প্রায় মিশে থাকে, তারা অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং বন্ধুমহলে জনপ্রিয় হন বলে মনে করা হয়।
অন্যদিকে, শারীরিক গঠনের তুলনায় ছোট বা নিচু নাক শিক্ষা ক্ষেত্রে বাধার ইঙ্গিত দেয়। এমন ব্যক্তিদের মধ্যে চঞ্চলতা বেশি থাকে, তবে তারা ক্ষিপ্রতা প্রয়োজন এমন কাজে সফল হন। শাস্ত্রের দাবি, যাদের নাসিকার অভ্যন্তরীণ অংশ তুলনামূলক উন্মুক্ত, তাদের মধ্যে একগুঁয়েমি এবং বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব পরিলক্ষিত হতে পারে। মূলত নাকের গঠনই মানুষের মেধা ও রুচির পরিচয় দেয়।

