প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিতে নয়া মাইলফলক: দুই দিনের সফরে ইজরায়েল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
আগামী ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি দুই দিনের বিশেষ সফরে ইজরায়েল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী মোদী ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর এই বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ দমনসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একাধিক দিক নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইজরায়েল যৌথভাবে অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম এবং ড্রোন নির্মাণে জোর দিচ্ছে। ভারতের ‘মিশন সুদর্শন’-এর অংশ হিসেবে এই প্রযুক্তিগত সহায়তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এছাড়া লেজার-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং দূরপাল্লার স্ট্যান্ড-অফ মিসাইল সরবরাহের বিষয়েও ইজরায়েল ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
প্রতিরক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, উন্নত কৃষি পদ্ধতি, বিশুদ্ধ জল এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তি নিয়েও দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হবে। প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই চলমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মাধ্যমে দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিতে নয়া মাইলফলক: দুই দিনের সফরে ইজরায়েল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
আগামী ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি দুই দিনের বিশেষ সফরে ইজরায়েল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী মোদী ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর এই বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ দমনসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একাধিক দিক নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইজরায়েল যৌথভাবে অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম এবং ড্রোন নির্মাণে জোর দিচ্ছে। ভারতের ‘মিশন সুদর্শন’-এর অংশ হিসেবে এই প্রযুক্তিগত সহায়তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এছাড়া লেজার-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং দূরপাল্লার স্ট্যান্ড-অফ মিসাইল সরবরাহের বিষয়েও ইজরায়েল ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
প্রতিরক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, উন্নত কৃষি পদ্ধতি, বিশুদ্ধ জল এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তি নিয়েও দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হবে। প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই চলমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মাধ্যমে দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

