মধ্যপ্রাচ্যে মহাপ্রলয়! মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের মিসাইল বৃষ্টিতে কাঁপছে কাতার থেকে আবুধাবি – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলার পাল্টায় দাউদাউ করে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র জবাবে এবার আরব সাগরের তীরবর্তী মার্কিন সাম্রাজ্যে সরাসরি আঘাত হানল ইরান। শনিবার ভোরে তেহরানের ওপর ইজরায়েলি বিমান হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রণক্ষেত্র হয়ে উঠল কাতার, কুয়েত, বাহারিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহী।
আমেরিকার চার প্রধান ঘাঁটিতে ইরানের তাণ্ডব
ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ডের ছোঁড়া ব্যালেস্টিক মিসাইল ও ড্রোন আছড়ে পড়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক মার্কিন সামরিক কেন্দ্রে। বাহারিনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ভিডিও ইতিমধ্য়েই ভাইরাল। কাতারের আল উদেইদ এয়ার বেস, কুয়েতের আল সালেম এবং আবুধাবির আল ধাফরা ঘাঁটিতে একের পর এক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ায় কার্যত ধসে পড়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বলয়।
আবুধাবিতে মৃত্যু ও যুদ্ধের সাইরেন
হামলার তীব্রতায় কাঁপছে আমিরশাহী। আবুধাবিতে ইরানের মিসাইল হানায় একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী তাদের আকাশপথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। জর্ডন, কাতার ও ইউএই-তে থাকা মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের নিরাপদ বাঙ্কারে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেন এই সংঘাত?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র অধীনে শনিবার ভোরে ইরানের পারমাণবিক পরিকাঠামো লক্ষ্য করে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। তেহরানসহ পশ্চিম ইরানের আকাশ ঢেকে যায় কালো ধোঁয়ায়। এর পাল্টা দিতেই ইরান তার সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর।
ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, তাদের নিখুঁত নিশানায় আমেরিকার কোটি কোটি ডলারের সামরিক সম্পদ ছাই হয়ে গিয়েছে। যদিও ইজরায়েলের দাবি, তারা আকাশপথেই বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। সব মিলিয়ে গোটা মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়াবহ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে।

