মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলার তোপ! ক্ষমা না চাইলে দিতে হবে ২০ লক্ষ টাকা? – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
বনগাঁর সেই বিতর্কিত ঘটনা এবার নিল এক নাটকীয় মোড়। এতদিন পর্যন্ত অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগের ভিত্তিতে শ্রীঘরবাস করতে হয়েছিল আয়োজক তনয় শাস্ত্রীকে। তবে জেল থেকে মুক্তি পেতেই কার্যত মিমির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন তিনি। শুধু থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করাই নয়, বরং আইনি পথে অভিনেত্রীকে পর্যুদস্ত করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিচ্ছেন এই আয়োজক।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও পাল্টা অভিযোগের পাহাড়
কয়েক দিন আগে বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন মিমি। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। তবে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরই সুর বদলেছেন তনয়। তাঁর দাবি, তিনি মিমিকে অপমান করেননি, বরং অভিনেত্রী নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক দেরিতে আসায় এবং চুক্তিভঙ্গ করায় তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আর্থিক জরিমানার মুখে অভিনেত্রী?
তনয় শাস্ত্রী জানিয়েছেন, মিমি চক্রবর্তীর এই আচরণের কারণে তাঁর সামাজিক সম্মান ধুলোয় মিশেছে। এর প্রতিকার হিসেবে তিনি মিমির বিরুদ্ধে একাধিক কঠোর পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন:
- পারিশ্রমিক ফেরত: অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য মিমিকে দেওয়া ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে।
- মানহানির মামলা: মিথ্যা অভিযোগে জেল খাটানোর জন্য ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন আয়োজক।
- প্রকাশ্যে ক্ষমা: তনয়ের সাফ কথা, মিমিকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে আইনি লড়াই আরও দীর্ঘ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
কী হতে চলেছে পরবর্তী পদক্ষেপ
ইতিমধ্যেই বনগাঁ থানায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। মিমি চক্রবর্তীর পক্ষ থেকে এখনও এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে এই ধরণের ‘পাল্টা মামলা’ এবং বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিনোদন জগতে। এখন দেখার, আইনি প্যাঁচে মিমির জয় হয় নাকি আয়োজকের পাল্টা চালে বিপাকে পড়েন তারকা সাংসদ।

