রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ স্বীকৃতিতে বিশ্বমঞ্চে সমাদৃত বাংলার ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্প ও তিন সুগন্ধি চাল
পশ্চিমবঙ্গের কৃষিক্ষেত্রে জোড়া সাফল্য এল আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে। রাজ্যের অভিনব ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিল রাষ্ট্রসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)। পশ্চিমাঞ্চলের রুক্ষ ও অনুর্বর জমিকে সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে উর্বর এবং বহুফসলি করে তোলার এই জনমুখী উদ্যোগ এখন বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় এই গৌরবের কথা ভাগ করে নিয়েছেন।
প্রকল্পের স্বীকৃতির পাশাপাশি বাংলার তিন ঐতিহ্যবাহী সুগন্ধি চাল—গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচুরকেও ‘ফুড অ্যান্ড কালচার হেরিটেজ’-এর সম্মান প্রদান করেছে রাষ্ট্রসংঘ। মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং স্থানীয় খাদ্য সংস্কৃতির অনন্য মান বজায় রাখার নিরিখেই এই শংসাপত্র মিলেছে। ২০২০ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্প গ্রামীণ অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন এনেছে।
রাজ্য সরকারের দাবি, জমি, সেচ ও পঞ্চায়েতের সমন্বয়ে গড়ে তোলা এই মডেল লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছে। রুক্ষ জমিতে এখন সারাবছর ফল ও সবজি চাষ হওয়ায় কৃষকদের আয় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। FAO-র এই আন্তর্জাতিক সম্মান বাংলার জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণের ধারাকে বিশ্বমঞ্চে আরও শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ করে তুলল।

