লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধের হুমকি? শুভেন্দু-সুকান্তের নিশানায় তৃণমূলের ‘ভয়ঙ্কর’ হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
কলকাতা: বাংলার রাজনীতিতে ফের উত্তপ্ত আবহ। এবার সরাসরি সাধারণ মানুষের সরকারি প্রকল্প নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সভায় গেলেই কি কেড়ে নেওয়া হবে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ বা ‘যুবশ্রী’র সুবিধা? একটি ভাইরাল হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ ঘিরে এখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।
সুকান্ত মজুমদারের দাবি অনুযায়ী, মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলায় বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ আটকাতে নজিরবিহীন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে শাসকদল। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বার্তার স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি অভিযোগ করেছেন, যে সমস্ত কার্যকর্তা বা সমর্থক অমিত শাহের সভায় যোগ দেবেন, তাঁদের সরকারি প্রকল্পের তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তৃণমূলকে ‘প্রতিহিংসাপরায়ণ’ বলে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার লেখেন, “মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলায় আজ অমিত শাহ জির সভায় বিজেপি সমর্থকরা গেলেই তাঁদের যুবসাথী এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা বাতিল করে দেওয়া হবে বলে নোংরা চক্রান্ত করছে তৃণমূল!”
রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যে ভোট বা বড় কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচির আগে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার এই অভিযোগ নতুন নয়। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই সরাসরি আক্রমণে শাসক-বিরোধী সংঘাত এক নতুন মাত্রা পেল। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, সাধারণ মানুষের সাংবিধানিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে তৃণমূল, যা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
এখন প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই কি কোনো রাজনৈতিক সভার যোগদানের ভিত্তিতে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা কেড়ে নেওয়া সম্ভব? নাকি এটি কেবলই রাজনৈতিক চাপানউতোর? এই নিয়ে ইতিমধ্যেই সরগরম বাংলার রাজনৈতিক আঙিনা।

