লাইফস্টাইল

সুস্থ সন্তান ও নিরাপদ গর্ভাবস্থা, পরিকল্পনার আগেই জরুরি কিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষা

সন্তান গ্রহণের পরিকল্পনা কেবল মানসিক প্রস্তুতির বিষয় নয়, বরং মা ও বাবার শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের মতে, গর্ভধারণের আগে দম্পতিদের বিশেষ কিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত। এতে শরীরের কোনো সুপ্ত রোগ, পুষ্টির ঘাটতি বা হরমোনজনিত সমস্যা আগেভাগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়, যা ভবিষ্যতের জটিলতা ও ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

মহিলাদের ক্ষেত্রে থাইরয়েড, প্রজনন হরমোন এবং ডিম্বাণুর রিজার্ভ জানার জন্য এএমএইচ (AMH) পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া জরায়ুর অবস্থা বুঝতে পেলভিক আল্ট্রাসাউন্ড এবং রুবেলা বা হেপাটাইটিসের মতো সংক্রমণ রোধে রক্ত পরীক্ষা করা প্রয়োজন। অন্যদিকে, পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রাণুর গুণগত মান ও সংখ্যা যাচাই করতে সিমেন অ্যানালিসিস এবং লাইফস্টাইলজনিত রোগের পরীক্ষা করা আবশ্যক।

যথাযথ পরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াবেটিস বা রক্তাল্পতার মতো সমস্যা ধরা পড়লে গর্ভাবস্থার আগেই তার চিকিৎসা শুরু করা যায়। সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ দম্পতিদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং একটি সুস্থ ও নিরাপদ মাতৃত্বের পথ প্রশস্ত করে। তাই অহেতুক উদ্বেগ এড়াতে এবং অনাগত সন্তানের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষাগুলো অবহেলা করা উচিত নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *