স্ত্রীর আয়ে সংসার চলায় হীনম্মন্যতা নাকি মানসিক অবসাদ, চম্বার নৃশংসতা ভাবিয়ে তুলছে সাধারণ মানুষকে
নিউজ ডেস্ক : হিমাচলের চম্বায় এক ব্যক্তির হাতে স্ত্রীর নৃশংস মৃত্যু এবং তারপর স্বামীর আত্মহত্যার ঘটনা কেবল একটি অপরাধ নয়, বরং আমাদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের এক ভয়াবহ ছবি ফুটিয়ে তুলেছে। পারিবারিক কলহ যখন খুনের পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন তার প্রভাব পড়ে গোটা পরিবারের ওপর। এই দম্পতির তিনটি সন্তান এখন অভিভাবকহীন, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বেকারত্ব এবং স্ত্রীর আয়ের ওপর নির্ভরশীলতা কি একজন পুরুষকে এতটাই হিংস্র করে তুলতে পারে, সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত স্বামী কোনো কাজ করতেন না এবং পরিশ্রমী স্ত্রী ঘোড়া-খচ্চর চালিয়ে সংসার সামলাতেন। এই ঘটনায় বোঝা যায় যে, মানসিক অস্থিরতা বা হীনম্মন্যতাকে সময়মতো গুরুত্ব না দিলে তার পরিণাম কতটা ভয়াবহ হতে পারে। পুলিশ ও ফরেনসিক দল তদন্ত শুরু করলেও, সাধারণ মানুষ এখন আতঙ্কে রয়েছেন। সমাজের প্রতিটি স্তরে মানসিক কাউন্সেলিং এবং পারিবারিক বিবাদ মেটানোর সঠিক পরিকাঠামো না থাকলে এমন মর্মান্তিক ঘটনা বারবার ঘটে আমাদের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করে তুলবে।

