লেটেস্ট নিউজ

২০৩৫ সালের মধ্যে ভারতের হাতে ২০০ রণতরী! নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠীর ঘোষণায় কাঁপছে শত্রুদেশ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

নয়াদিল্লি: ভারত মহাসাগরে নিজেদের আধিপত্য আরও জোরালো করতে এবং শত্রুপক্ষের মোকাবিলায় এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। ২০৩৫ সালের মধ্যে নৌবাহিনীর বহরে ২০০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শুক্রবার চেন্নাই বন্দরে অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ ‘আইএনএস অঞ্জদীপ’-এর কমিশন অনুষ্ঠানে এই মেগা পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী।

নৌসেনা প্রধান জানিয়েছেন যে ২০২৬ সাল ভারতের নৌ-ইতিহাসে এক স্মরণীয় বছর হতে চলেছে। ওই এক বছরেই অতিরিক্ত ১৫টি যুদ্ধজাহাজ নৌবাহিনীতে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে যা একটি নজিরবিহীন রেকর্ড। ২০২৫ সালে ইতিমধ্যেই ১২টি যুদ্ধজাহাজ এবং একটি সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই গতি বজায় রেখেই ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতীয় নৌবাহিনীকে সম্পূর্ণ ‘আত্মনির্ভর’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী বলেন যে বর্তমানে অর্ডারে থাকা ৫০টি জাহাজের সবকটিই ভারতের বিভিন্ন শিপইয়ার্ডে তৈরি হচ্ছে। এটি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ থেকে ‘ট্রাস্ট ইন ইন্ডিয়া’র দিকে এক বড় উত্তরণ। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নজরদারি, জলদস্যুতা বিরোধী অভিযান এবং সমন্বিত টহলদারির মাধ্যমে ভারতীয় নৌসেনা তাদের নির্ভরযোগ্য অপারেশনাল সক্ষমতা প্রমাণ করে চলেছে।

আইএনএস অঞ্জদীপ এবং ভারতের রণকৌশল

এদিন নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া ‘আইএনএস অঞ্জদীপ’ হলো অগভীর জলে চলাচলে সক্ষম ১৬টি অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজের মধ্যে চতুর্থ। এটি পূর্ব উপকূলের সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং সাবমেরিন বিরোধী যুদ্ধে ভারতের শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। এই জাহাজটি অত্যাধুনিক সোনার (Sonar), হালকা ওজনের টর্পেডো, অ্যান্টি-সাবমেরিন রকেট এবং উন্নত যুদ্ধ পরিচালনা ব্যবস্থায় সজ্জিত। নৌসেনা প্রধানের মতে এই আধুনিকায়ন কেবল একটি কৌশলগত প্রয়োজন নয় বরং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য এটি ভারতের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *