লেটেস্ট নিউজ

অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনার নেপথ্যে কি তবে বিমানবন্দরের গাফিলতি? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

বারামতী

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। গত ২ মার্চ ঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের নেপথ্যে খারাপ আবহাওয়া এবং বিমানবন্দরের পরিকাঠামোগত অভাবকেই দায়ী করা হচ্ছে।

তদন্তকারী দলের পেশ করা রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে বারামতী এয়ারফিল্ডে অবতরণের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম ৫ কিলোমিটার দৃশ্যমানতা (Visibility) থাকা বাধ্যতামূলক। অথচ দুর্ঘটনার সময় সেই দৃশ্যমানতা কমে দাঁড়িয়েছিল মাত্র ৩ কিলোমিটারে। এমনকি অবতরণের ঠিক ২০ মিনিট আগে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গিয়েছিল গোটা এলাকা, যার ফলে দৃশ্যমানতা ২ কিলোমিটারে নেমে আসে।

পরিকাঠামোর অভাব ও প্রযুক্তিগত ত্রুটি

রিপোর্টে সবথেকে বড় যে ত্রুটিটি ধরা পড়েছে তা হলো বারামতী বিমানবন্দরে আবহাওয়া পরিমাপের আধুনিক কোনো ব্যবস্থাই নেই। স্যাটেলাইট চিত্রে কুয়াশার দাপট স্পষ্ট হলেও রানওয়েতে সুরক্ষার যথাযথ সরঞ্জাম না থাকায় পাইলট সঠিক আন্দাজ পাননি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল প্রযুক্তিগত কিছু গাফিলতিও।

নিশ্চিহ্ন ককপিট ভয়েস রেকর্ডার

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে দুর্ঘটনার সময় অত্যধিক উত্তাপে বিমানের ভয়েস রেকর্ডারটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। ফলে শেষ মুহূর্তে পাইলট এবং ফার্স্ট অফিসারের মধ্যে ঠিক কী কথা হয়েছিল বা তাঁরা কোনো যান্ত্রিক সমস্যার সংকেত পেয়েছিলেন কি না, তা জানা সম্ভব হয়নি। ব্ল্যাক বক্সের তথ্য উদ্ধার করা না গেলে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণটি চিরকাল ধোঁয়াশাতেই থেকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্রের খবর, বারামতী এয়ারফিল্ডের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষস্তরের নেতার মৃত্যুতে বিমানবন্দরের এই চূড়ান্ত অব্যবস্থা নিয়ে এখন দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *