অযোগ্য তকমা দিয়েও ভোটের ডিউটি: ক্ষোভে ফুঁসছেন রাজ্যের হাজার হাজার শিক্ষক – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
Supreme \titleonly কোর্টের নির্দেশে চাকরি হারানো এবং পুনর্নিয়োগ না পাওয়া প্রায় তিন হাজার শিক্ষকের নামে লোকসভা ভোটের ডিউটির চিঠি আসায় তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চের দাবি, যাঁদের চাকরির যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মেধা তালিকায় ঠাঁই দেওয়া হয়নি, তাঁদেরই এখন গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করছে কমিশন। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চাকরির মেয়াদ থাকলেও, আদালতের চোখে ‘অযোগ্য’ বিবেচিত হওয়া সত্ত্বেও কেন তাঁদের এই বাধ্যতামূলক ডিউটি দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।
এই তালিকায় এমন অনেক শিক্ষক রয়েছেন যাঁরা দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় বসেও উত্তীর্ণ হতে পারেননি কিংবা ইন্টারভিউয়ের ডাক পাননি। রাকেশ আলমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উচ্চ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্তর মিলিয়ে কয়েক হাজার শিক্ষক কাট-অফ মার্কস না পাওয়ায় কর্মহীন হতে চলেছেন। অথচ তাঁদের প্রায় ৯৫ শতাংশের কাছেই ডিউটির প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত চিঠি পৌঁছেছে। এর প্রতিবাদে অধিকাংশ চাকরিহারা ও যোগ্য শিক্ষকই এবার ভোটের ডিউটি বয়কটের ডাক দিয়েছেন এবং দ্রুত স্বচ্ছ বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও বহু শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর নাম ভোটের ডিউটিতে আসায় নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের পক্ষ থেকে কিঙ্কর অধিকারী শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের দফতরে ৪৫ জন বিশেষভাবে সক্ষম কর্মীর একটি তালিকা জমা দিয়ে এই অব্যবস্থার অভিযোগ জানান। কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেও শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ কমেনি। যোগ্যতা ও শারীরিক পরিস্থিতি বিচার না করে ডিউটি দেওয়ায় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

