ইজরায়েলে হিন্দু ধর্মের প্রসার আধ্যাত্মিক টানে ইহুদি রাষ্ট্রে ভারতীয় দর্শনের জয়যাত্রা – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
ইজরায়েলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ও আধ্যাত্মিক অন্বেষণকারীদের প্রভাবে হিন্দু ধর্মের প্রভাব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। তেল আভিভ ও জেরুজালেমের মতো শহরগুলোতে ইসকন (ISKCON) এবং শিভানন্দ যোগ বেদান্ত কেন্দ্রের মতো সংস্থাগুলো মন্দির সদৃশ পরিবেশ তৈরি করেছে। বিশেষ করে তেল আভিভের ইসকন মন্দিরে নিয়মিত রাধা-কৃষ্ণের পূজা, ভজন ও কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এখানে কেবল ভারতীয়রাই নন, স্থানীয় ইজরায়েলিরাও বৈষ্ণব দর্শন ও নিরামিষ আহারের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন।
যোগব্যায়াম কেন্দ্রগুলোতেও শিব ও গণেশের আরাধনার জন্য নির্দিষ্ট প্রার্থনাকক্ষ রয়েছে। ইজরায়েলি তরুণদের মধ্যে ভারত ভ্রমণের প্রবণতা থাকায়, দেশটিজুড়ে অসংখ্য ব্যক্তিগত ও ঘরোয়া মন্দির গড়ে উঠেছে। প্রতি বছর সেখানে সাড়ম্বরে ‘যোগ উৎসব’ পালিত হয়। এমনকি অতীতে মরুভূমি অঞ্চলে প্রতীকী কুম্ভ মেলার আয়োজন করে গঙ্গা নদীর মাহাত্ম্যও তুলে ধরা হয়েছে।
ইহুদি প্রধান দেশটিতে হিন্দু সংস্কৃতির এই মেলবন্ধন এক অনন্য সামাজিক প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে। ভারতীয় দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়ে অনেক ইজরায়েলি নাগরিক এখন নিয়মিত পূজা-অর্চনা ও শাস্ত্রীয় রীতিনীতি পালন করছেন। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক উপাসনালয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিসরেও ইজরায়েলে হিন্দু ধর্মের ব্যাপ্তি স্পষ্ট হয়ে উঠছে, যা দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করছে।

