ইরানের বিরুদ্ধে বিমানঘাঁটি ব্যবহারে ট্রাম্পকে না স্ট্যরমার সরকারের
ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে বড়সড় ধাক্কা খেলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। লন্ডনের কাছে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ‘রয়্যাল এয়ার ফোর্স’ (RAF) ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি ব্যবহারের জন্য ওয়াশিংটনের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্ট্যরমারের সরকার। পেন্টাগন এই ঘাঁটি থেকে দীর্ঘপাল্লার বোমারু বিমান মোতায়েন ও হামলার পরিকল্পনা করলেও, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের আশঙ্কায় ব্রিটেন এই অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে।
ব্রিটিশ সরকারের আইনি পরামর্শদাতারা সতর্ক করেছেন যে, যথাযথ আইনি ভিত্তি ছাড়া কোনো ‘প্রি-এমপ্টিভ’ বা আগাম হামলায় সহায়তা করা আন্তর্জাতিক রীতির পরিপন্থী হতে পারে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ ভূখণ্ডে অবস্থিত বিমানঘাঁটিগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সুস্পষ্ট অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, চাগোস দ্বীপপুঞ্জ ও দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যরমার সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্পের মতে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়া একটি বড় ভুল। তবে লণ্ডন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ২০০১ পরবর্তী কঠোর আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসরণ করে তারা কোনো ধরনের বিতর্কিত সামরিক অভিযানে অংশ নিতে আগ্রহী নয়। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় বড় ধরনের রদবদল হতে পারে।

