লেটেস্ট নিউজ

ইশা ফাউন্ডেশনের বড় স্বস্তি, মাদ্রাজ হাইকোর্টে খারিজ শ্মশান বিরোধী জনস্বার্থ মামলা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

কোয়েম্বাটুর: ইশা ফাউন্ডেশনের জন্য বড় স্বস্তির খবর। কোয়েম্বাটুরে ইশা ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্মিত গ্যাসিফায়ার শ্মশান (কালভৈরব দহন মণ্ডপম)-এর বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত আবেদন খারিজ করে দিয়েছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট।

আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এই গ্যাসিফায়ার শ্মশান তৈরির একমাত্র উদ্দেশ্য হলো জনকল্যাণ। প্রধান বিচারপতি মনীন্দ্র মোহন শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি জি অরুল মুরুগানের ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করেছে যে, কোনো বাড়ি বা পানীয় জলের উৎস থেকে ৯০ মিটারের মধ্যে শ্মশান তৈরিতে কোনো আইনি বাধা নেই। এক্ষেত্রে একমাত্র বাধ্যতামূলক শর্ত হলো গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে লাইসেন্স নেওয়া। আদালত এই রায়ে ‘তামিলনাড়ু গ্রাম পঞ্চায়েত (দাফন ও শ্মশান ভূমি বিধান) নিয়ম, ১৯৯৯’-এর উল্লেখ করেছে।

সমাজকল্যাণেই আধুনিক শ্মশান নির্মাণ: হাইকোর্ট

আদালতের মতে, আধুনিক গ্যাসিফায়ার শ্মশান নির্মাণ সমাজের মঙ্গলের জন্য এবং এটিকে জনস্বার্থ বিরোধী হিসেবে গণ্য করা যায় না। আদালত আরও বলেছে, শ্মশান কোথায় এবং কীভাবে নির্মিত হবে তা প্রশাসন ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাজ। যদি তাদের কাছে বৈধ লাইসেন্স থাকে, তবে আদালত এই ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করবে না। ইশা ফাউন্ডেশন এই শ্মশানটি কোয়েম্বাটুরের ইকরাই বোলুভামপট্টি গ্রামে নির্মাণ করছে।

রিট আবেদনের শুনানি

ইশা ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্থাপিত এই শ্মশানকে চ্যালেঞ্জ করে তিনটি পৃথক রিট পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল। ইকরাই বোলুভামপট্টি গ্রাম পঞ্চায়েতের সভাপতি, পঞ্চায়েতের সহকারী পরিচালক (গ্রামীণ) এবং জেলা পরিবেশ প্রকৌশলী (তামিলনাড়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড) কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদনের আদেশকে এই মামলাগুলোতে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়।

৯০ মিটারের দূরত্ব বিধি প্রযোজ্য নয়

আদালত তার রায়ে জানিয়েছে, ১৯৯৯ সালের নিয়মের ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ৯০ মিটারের দূরত্বের নিয়মটি সেই সব স্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় যা ইতিমধ্যে নিবন্ধিত বা যার জন্য বিধি ৫-এর অধীনে লাইসেন্স নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আবেদনকারীদের করা সমস্ত আপত্তি খারিজ করে দেয় আদালত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *