উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের রাশ এবার পার্থ কর্মকারের হাতে, বড় বদলের নেপথ্যে কী কারণ – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে বড়সড় রদবদল। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন পার্থ কর্মকার। বর্তমানে তিনি পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সহ-সচিব পদে কর্মরত রয়েছেন। আগামী ২ মার্চ বর্তমান সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।
কেন এই আকস্মিক পরিবর্তন
শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, গত নভেম্বর মাসেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। জোড়া দায়িত্ব সামলানোর পরিবর্তে এবার পূর্ণাঙ্গভাবে সংসদের ব্যাটন তুলে দেওয়া হচ্ছে পার্থ কর্মকারের হাতে। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি জানান, ২ মার্চ কার্যভার গ্রহণ করার পরেই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল সম্ভবত নতুন সভাপতির আমলেই প্রকাশিত হতে চলেছে।
ঢেলে সাজানো হচ্ছে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা
গতকাল নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু রাজ্যের শিক্ষিকাঠামোকে বিশ্বমানের করে তুলতে এক মেগা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। সরকারি স্কুলগুলির ভোলবদল করতে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
‘মডেল স্কুল’ ও বিপুল বিনিয়োগ
শিক্ষামন্ত্রীর দাবি, দেশের শিক্ষাম্যাপে বাংলা এখন প্রথম সারিতে। সেই অবস্থান আরও মজবুত করতে ‘স্কুল মান উন্নয়ন’ প্রকল্পে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের মোট খরচের ৭০ শতাংশ বহন করবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক (ADB)।
প্রকল্পের মূল আকর্ষণসমূহ:
- রাজ্যের ৪৩০টি ব্লকের প্রতিটিতে অন্তত একটি করে ‘মডেল স্কুল’ তৈরি হবে।
- পিছিয়ে পড়া ব্লকগুলিতে তৈরি হবে দুটি করে অত্যাধুনিক স্কুল।
- প্রতিটি স্কুলে থাকবে আধুনিক গ্রন্থাগার ও উন্নত স্যানিটারি ব্যবস্থা।
রাজ্য সরকারের এই বিশাল কর্মযজ্ঞে নতুন সংসদ সভাপতি পার্থ কর্মকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

