উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গে তৃণমূলের মাস্টারস্ট্রোক! বিজেপিকে রুখতে কী ছক কষলেন মমতা-অভিষেক? – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনে রাজ্য রাজনীতিতে বড়সড় চমক দিতে ‘টুইন ক্যাম্পেইন স্ট্র্যাটেজি’ গ্রহণ করল ঘাসফুল শিবির। উত্তর ও দক্ষিণ—একযোগে দুই ফ্রন্টেই বিজেপিকে চেপে ধরতে ময়দানে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আগামী ২৪ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে এই হাই-ভোল্টেজ প্রচার অভিযান। উত্তরবঙ্গের হারানো জমি পুনরুদ্ধার করতে খোদ উত্তরবঙ্গ সফরের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আলিপুরদুয়ার থেকে শুরু করে শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে ম্যারাথন সভা করবেন তিনি। ২০১৯-এর লোকসভা ও ২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপির শক্তিশালী উত্থান তৃণমূলের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই বুথ স্তরের রণকৌশল ঠিক করতে ভবানীপুরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পরেই পাহাড়ে পাড়ি দিচ্ছেন নেত্রী।
অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের দুর্গ সামলানোর দায়িত্ব নিয়েছেন দলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা থেকে প্রচার শুরু করে তিনি সরাসরি হানা দেবেন মেদিনীপুরের গড় নন্দীগ্রামে। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামের হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন। এবার সেই চোট সারাতে মেদিনীপুরের জঙ্গলমহল ও উপকূলীয় এলাকায় বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি ভাঙতে কোমর বেঁধে নামছেন অভিষেক।
বিজেপি বিরোধী এই সাঁড়াশি অভিযানে তৃণমূলের প্রধান লক্ষ্য হলো দুই মেদিনীপুর ও উত্তরবঙ্গে পদ্ম শিবিরের প্রভাব কমানো। রাজনৈতিক মহলের মতে, মমতা ও অভিষেকের এই যুগলবন্দী প্রচার ঘাসফুল শিবিরের কর্মীদের মধ্যে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে। তবে এই দুই ফ্রন্টের লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবে, তা বলবে আগামী দিনের ব্যালট বক্স।

