একই পরিবারের তিনজনকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে খুনের পর উধাও বৃদ্ধ – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
ওড়িশার দেবগড় জেলার গরিয়াপালি গ্রামে এক শিউরে ওঠা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক বিবাদের জেরে নিজের স্ত্রী, পুত্রবধূ এবং চার বছর বয়সি নাতনিকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ উঠেছে পরিবারের কর্তা রমেশ গরিয়ার বিরুদ্ধে। বুধবার গভীর রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ রমেশের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী গুল গরিয়ার প্রচণ্ড ঝগড়া শুরু হয়। প্রাণভয়ে গুল দেবী তাঁর পুত্রবধূ লিপি মহাকুলের ঘরে আশ্রয় নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। রাগের মাথায় জ্ঞান হারিয়ে রমেশ হাতুড়ি নিয়ে সেখানে চড়াও হন। হাতুড়ির উপর্যুপরি আঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় গুল ও লিপির। এরপর নিজের চার বছরের নাতনি ঈশানিকেও একইভাবে আক্রমণ করে অভিযুক্ত বৃদ্ধ পালিয়ে যান। রমেশের ছেলে ধীরেন গরিয়া বাড়ি ফিরে তিনজনের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। দেবগড়ের পুলিশ সুপার অনিল মিশ্র জানান, পারিবারিক অশান্তির জেরে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। পুলিশ একটি খুনের মামলা রুজু করে পলাতক রমেশের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে।
পরকীয়ার পথে কাঁটা সরাতে স্বামীকে খুন করে ডাম্বেল বেঁধে নদীতে ফেললেন স্ত্রী
মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলায় এক যুবককে খুনের অভিযোগে তাঁর স্ত্রী, প্রেমিকের ভাই ও শ্যালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ শাদাব রজ্জাক তাম্বোলি নামে ওই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের পর সামনে এসেছে পরকীয়া ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের হাড়হিম করা কাহিনি। তদন্তে জানা গেছে, প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বাঁধার পথে স্বামীকে বাধা মনে করেই এই খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন স্ত্রী মুসকান তাম্বোলি।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন শাদাব। এরপর ২২ ফেব্রুয়ারি নাসিকের চান্দভাড় এলাকার একটি নদী থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। খুনিরা অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিল। দেহ যাতে জলের উপরে ভেসে না ওঠে, সেজন্য মৃতদেহের কোমর ও উরুর সঙ্গে ভারী ডাম্বেল বেঁধে দেওয়া হয়েছিল এবং হাত-পা বাঁধা ছিল নাইলনের দড়ি দিয়ে। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, মুসকানের সঙ্গে মানমাডের বাসিন্দা ঋষভ বর্মার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাঁরা বিয়ে করতে চেয়েছিলেন বলেই মুসকান নিজের ভাই ও প্রেমিকের সঙ্গে মিলে এই ছক কষেন। এই ঘটনায় মুসকানসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে চান্দভাড় থানার পুলিশ।

