খামেনেই পরবর্তী ইরান কি গৃহযুদ্ধের মুখে? সর্বোচ্চ নেতার উত্তরসূরি বাছতে চরম নাটকীয়তা তেহরানে – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলায় আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের এই শক্তিশালী রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ এখন কার হাতে? তেহরানের অন্দরমহলে শুরু হয়েছে তীব্র টানাপড়েন। এক নজরে দেখে নিন বর্তমান পরিস্থিতি।
খামেনেইয়ের শূন্যস্থানে কারা সামলাচ্ছেন কুর্সি
সংবিধান অনুযায়ী আপাতত দেশ পরিচালনার জন্য একটি অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এই পরিষদে রয়েছেন তিন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব:
- ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান
- বিচার বিভাগের প্রধান
- গার্জিয়ান কাউন্সিলের একজন শীর্ষ জুরিস্ট
নতুন নেতা নির্বাচন কি আদৌ সম্ভব
ইরানের নিয়ম অনুযায়ী, নতুন ‘Supreme \titleonly লিডার’ নির্বাচনের দায়িত্ব অ্যাসেম্বলি অফ লিডারশিপ এক্সপার্টস-এর হাতে। কিন্তু যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এই ধর্মীয় নেতাদের একত্রিত করা এবং সর্বসম্মতিতে পৌঁছানো এখন হিমালয়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ। ইজরায়েলি বিমান হামলার ভয়ে এই প্রক্রিয়া কতটা দ্রুত সম্পন্ন হবে, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে।
ঘনিয়ে আসছে ‘সবচেয়ে ভয়ংকর’ পাল্টা হামলা
এদিকে খামেনেইয়ের মৃত্যুর বদলা নিতে ফুটছে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তারা সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, খুনিদের শাস্তি দিতে তারা ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু করতে চলেছে। যেকোনো মুহূর্তে এই হামলা শুরু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বেঁচে আছেন লারিজানি, প্রতিরোধের ডাক
ইজরায়েলি দাবি অনুযায়ী খামেনেইয়ের একাধিক ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ও জেনারেল নিহত হলেও, ইরানের Supreme \titleonly ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানি এখনও সুরক্ষিত। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অত্যাচারীদের এমন শিক্ষা দেওয়া হবে যা তারা কোনোদিন ভুলবে না।
ভয়াবহ যুদ্ধ নাকি রাজনৈতিক অস্থিরতা—কোন পথে যাবে ইরান? সেই দিকেই এখন তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

