লেটেস্ট নিউজ

গাজা পুনর্গঠনে ট্রাম্পের ৫ বিলিয়ন ডলারের মাস্টারপ্ল্যান ও বিশ্বশান্তির নয়া সমীকরণ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

NEWS DESK : গাজা পুনর্গঠন ও আন্তর্জাতিক শান্তি স্থাপনের লক্ষ্যে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর নেতৃত্বাধীন ‘বোর্ড অব পিস’-এর সদস্য দেশগুলো গাজার মানবিক সহায়তা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের অঙ্গীকার করেছে। ট্রাম্পের দাবি, এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক কূটনীতির ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মোড় হিসেবে চিহ্নিত হবে। গাজায় শান্তি ফেরাতে এবং হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করতে এই বিশাল অংকের অর্থ ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প জানান, গত বছরের অক্টোবরে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে গঠিত এই বোর্ড বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে গাজার সাধারণ মানুষের জন্য একটি “সাহসী ভিশন” তুলে ধরা হয়। এই পরিকল্পনার আওতায় গাজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশে হাজার হাজার কর্মী নিয়োগের বিষয়েও ঐকমত্য পোষণ করেছে সদস্য রাষ্ট্রগুলো।

আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে ডোনাল্ড জে ট্রাম্প ইনস্টিটিউট অফ পিসে এই বোর্ডের পরবর্তী উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকেই ৫ বিলিয়ন ডলারের এই প্রতিশ্রুতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ইন্দোনেশিয়া জানিয়েছে, তারা জুনের শেষ নাগাদ গাজায় প্রায় ৮ হাজার সেনা মোতায়েন করতে প্রস্তুত। তবে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মাঝেও গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত থাকায় যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে।

গাজার দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। ট্রাম্পের এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা কতটুকু বাস্তবায়িত হয় এবং এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে কী পরিবর্তন আসে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব। ১৯ ফেব্রুয়ারির বৈঠকে কতটি দেশ সরাসরি সেনা বা আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করে, তার ওপরই নির্ভর করছে এই শান্তি প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত সাফল্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *