লেটেস্ট নিউজ

গায়িকা দেবোলীনা নন্দীর বিপদ কি আরও বাড়ল? স্বামীর আইনি চালে কি জেলের ঘানি টানতে হবে তাকে – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

জনপ্রিয় গায়িকা দেবোলীনা নন্দী ও তাঁর পাইলট স্বামী প্রबाह নন্দীর দাম্পত্য কলহ এখন টলিপাড়ার সবথেকে চর্চিত বিষয়। ২০২৪ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হলেও এক বছর কাটতে না কাটতেই সেই সম্পর্কে চিড় ধরেছে। সম্প্রতি স্বামীর বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসা ও নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন দেবোলীনা। তবে ঘটনার মোড় ঘুরে গেল আইনজীবী মুকুল বিশ্বাসের একটি চাঞ্চল্যকর ভিডিওতে। তাঁর দাবি, প্রবাহ যদি পাল্টা আইনি পদক্ষেপ নেন, তবে উল্টে ফেঁসে যেতে পারেন গায়িকা নিজেই।

ঠিক কী ঘটেছিল?

দেবোলীনার অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালানো হতো। পরিস্থিতি এতটাই চরমে পৌঁছায় যে তিনি ৭৮টি ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলে জানা যায়। গায়িকার দাবি ছিল, প্রবাহ তাঁকে মা অথবা স্বামীর মধ্যে একজনকে বেছে নিতে বাধ্য করেছিলেন। বর্তমানে সুস্থ হয়ে কাজে ফিরলেও আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন দেবোলীনা।

আইনজীবী মুকুল বিশ্বাসের বিস্ফোরক দাবি

সোশ্যাল মিডিয়া পেজ ‘ভয়েস অফ ভয়েসলেস’-এ একটি ভিডিও শেয়ার করে আইনজীবী মুকুল বিশ্বাস দেবোলীনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী দেবোলীনা যদি গার্হস্থ্য হিংসার মামলা করে থাকেন, তবে তা আইনের অপব্যবহার। যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রবাহের সম্মানহানি করা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। একজন সফল পুরুষের কেরিয়ার কীভাবে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া যায়, দেবোলীনা নন্দী তার উদাহরণ হয়ে থাকলেন।”

পাল্টা বিপদে দেবোলীনা?

আইনজীবীর মতে, প্রবাহ তাঁর ভদ্রতা ও শিক্ষার কারণে এতদিন চুপ ছিলেন। কিন্তু এখন তাঁর উচিত দেবোলীনার বিরুদ্ধে মানহানি ও মানসিক নির্যাতনের মামলা করা। মুকুল বিশ্বাস ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে মোটা অঙ্কের খোরপোশ আদায়ের উদ্দেশ্যেই হয়তো এই ছক কষা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাঝরাতে স্বামীকে জাগিয়ে রাখা বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও বানিয়ে হেনস্থা করাও এক ধরণের টর্চার।

পুলিশি তৎপরতা

পুলিশ সূত্রে খবর, প্রবাহ নন্দী তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে থানায় গিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করছেন। এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার না হলেও মামলাটি এখন আদালতের দোরগোড়ায়। দেবোলীনা কি সত্যিই শিকার নাকি এটি প্রবাহকে ফাঁসানোর কোনও বড় ষড়যন্ত্র? আইনজীবী মুকুল বিশ্বাসের বয়ান এই রহস্যকে আরও ঘনীভূত করে তুলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *