গোয়ায় মধুচন্দ্রিমায় স্ত্রীকে খুনের চেষ্টা, কাঠগড়ায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ি – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
মধুচন্দ্রিমা মানেই নবদম্পতির কাছে একরাশ স্বপ্ন আর ভালোবাসা। কিন্তু সেই স্বপ্নই যে দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে পারে, তা ভাবতেও পারেননি ঐশ্বরিয়া। বারাণসীর আয়ুষ ভাটনগরের সাথে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল তার। বাবা মেয়ের সুখের কথা ভেবে সাধ্যের বাইরে গিয়ে প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা খরচ করেছিলেন। কিন্তু বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় পণের দাবিতে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন।
মাঝ সমুদ্রে মৃত্যুর ফাঁদ
ঐশ্বরিয়ার অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের দ্বিতীয় দিন থেকেই বদলে যায় স্বামী আয়ুষের রূপ। তুচ্ছ কারণে গালিগালাজ আর চরিত্র নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য শুরু করেন তিনি। তবে চরম নাটকীয়তা ঘটে তাদের গোয়া ভ্রমণে। অভিযোগ, সমুদ্রের মাঝখানে একটি পর্যটন নৌকায় স্ত্রীকে নিয়ে গিয়ে তাকে ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করেন আয়ুষ। গভীর জলে তলিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের তৎপরতায় অলৌকিকভাবে প্রাণ বাঁচান ঐশ্বরিয়া।
পণের দাবিতে গৃহবধূকে বিতাড়ন
প্রাণে বেঁচে ফিরলেও ঐশ্বরিয়ার ওপর অত্যাচার থামেনি। গোয়া থেকে ফেরার পর শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে বিলাসবহুল গাড়ির দাবি তোলা হয়। সেই দাবি মেটাতে অস্বীকার করায় চলে অকথ্য মারধর। অবশেষে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। বর্তমানে পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই তরুণী। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি এখন সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্রে।

