লেটেস্ট নিউজ

চিৎকার করে শিশুর ঘুম ভাঙাচ্ছেন? অজান্তেই হতে পারে বড় বিপদ

সকালে তাড়াহুড়ো করে খুদেকে স্কুলে পাঠানোর সময় অনেক অভিভাবকই চিৎকার করে বা জোরজবরদস্তি শিশুর ঘুম ভাঙান। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। হঠাৎ করে কর্কশ স্বরে ঘুম ভাঙালে শিশুর মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় এবং সারাদিন সে নেতিবাচকতায় ভোগে। এর ফলে স্কুলে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে শিশুর আচরণগত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বিকল্প হিসেবে শিশুকে নির্দিষ্ট সময়ের অন্তত দশ মিনিট আগে আলতো করে ডাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আদরের স্পর্শ, মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া বা মিষ্টি কথায় ঘুম ভাঙালে শিশু পজিটিভ এনার্জি নিয়ে জেগে ওঠে। এই ধরণের কোমল আচরণ শিশুর সাথে মা-বাবার সম্পর্কের গভীরতা বাড়ায়। হাসিমুখে দিন শুরু করলে শিশু সারাদিন সতেজ ও খোশমেজাজে থাকে, যা তার মানসিক বিকাশে সহায়ক।

পরিবারই শিশুর প্রথম শিক্ষাকেন্দ্র, তাই অভিভাবকদের শান্ত আচরণ খুদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। চিৎকার চেঁচামেচি এড়িয়ে ধৈর্য ধরে শিশুকে ঘুম থেকে তোলা হলে সে নিজেও শান্তভাবে কাজ করতে শেখে। একটি সুন্দর সকাল শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং তাকে আরও উচ্ছ্বল করে তুলতে সাহায্য করে। তাই খুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ ও সুস্থ মানসিক গড়নের জন্য আজই যান্ত্রিক বা রুক্ষ উপায়ে ঘুম ভাঙানোর অভ্যাস পরিবর্তন করা জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *