লেটেস্ট নিউজ

ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে লালবাজারের কড়া বার্তা, গুজব ছড়ালে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

NEWS DESK : ডোমিসাইল বা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র ইস্যু করা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে এবার কড়া অবস্থান নিল লালবাজার। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, পুলিশ কোনোভাবেই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ইস্যু করে না। গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন মহলে প্রচার করা হচ্ছিল যে, জরুরি ভিত্তিতে এই শংসাপত্র প্রদানে পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে। এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

লালবাজারের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ইস্যু করার কোনো আইনি ক্ষমতা পুলিশের নেই। নিয়ম অনুযায়ী, পুলিশ শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আবেদনকারীর তথ্য যাচাই বা ভেরিফিকেশনের কাজটুকু করে থাকে। মূল শংসাপত্র প্রদানের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ আলাদা প্রশাসনিক স্তরে সম্পন্ন হয়। সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে পুলিশ সতর্ক করেছে যে, এই ধরনের ভুল তথ্য বা গুজব ছড়ালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্রকে (PRC) ভোটার তালিকায় নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে বৈধ নথি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে সেই শংসাপত্র অবশ্যই নির্দিষ্ট সরকারি নিয়ম মেনে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুমোদিত হতে হবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে পাঠানো চিঠিতে কমিশন স্পষ্ট করেছে যে, ১৯৫০ সালের প্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক অথবা কলকাতার ক্ষেত্রে কালেক্টরের দ্বারা জারি করা শংসাপত্রই কেবল গ্রহণযোগ্য হবে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে নাগরিকদের জানানো হয়েছে, ডোমিসাইল সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য সরাসরি সরকারি দপ্তর বা নির্দিষ্ট পোর্টালে যোগাযোগ করতে। কোনো অসাধু চক্র বা সোশ্যাল মিডিয়ার চটকদার পোস্ট দেখে বিভ্রান্ত হয়ে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ১৯৯৯ সালের নির্দেশিকা এবং পরবর্তী সংশোধনী মেনেই এই শংসাপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া জারি থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *