ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দির: শিব-পার্বতীর বিবাহস্থলে বাড়ছে আধুনিক যুগলদের ভিড় – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে অবস্থিত প্রাচীন ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দির বর্তমানে আধুনিক প্রজন্মের কাছে এক অনন্য আধ্যাত্মিক গন্তব্য হয়ে উঠেছে। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, হিমালয়ের এই নিভৃত কোণেই মহাদেব ও দেবী পার্বতীর বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল। কেবল পর্যটন নয়, বরং ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বের কারণে বহু যুগল তাঁদের দাম্পত্য জীবনের সূচনা করতে এই পবিত্র স্থানটিকে বেছে নিচ্ছেন।
এই মন্দিরের মূল আকর্ষণ হলো পাঁচ হাজার বছর ধরে প্রজ্বলিত ‘অখণ্ড ধুনী’ বা চিরন্তন অগ্নিকুণ্ড। শিব-পার্বতীর বিয়ের সাক্ষী এই অগ্নিশিখাকে স্থায়িত্ব ও পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। এছাড়া মন্দির চত্বরে থাকা ব্রহ্ম, বিষ্ণু ও রুদ্র কুণ্ডের জল মাথায় ছিটিয়ে নবদম্পতিরা আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। বর্তমানের আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের ভিড়ে এই মন্দিরের সরলতা ও শুদ্ধতা সকলকে আকৃষ্ট করছে।
তারকা থেকে সাধারণ মানুষ—অনেকেই এখন যান্ত্রিকতা ছেড়ে পাহাড়ের কোলে এই প্রাচীন ঐতিহ্যের আশ্রয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া শংসাপত্র আইনি কাজেও সহায়ক হয়। এপ্রিল থেকে জুন এবং সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস এখানে ভ্রমণের আদর্শ সময়। সাশ্রয়ী খরচ এবং হিমালয়ের নৈসর্গিক পরিবেশে আত্মার মিলনের এই ক্ষেত্রটি সম্পর্কের নতুন সংজ্ঞায়িত করছে।

