দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণে নয়া মোড়, ৩ মাস পর কাশ্মীরে এনআইএ-র জালে দুই রাঘববোয়াল – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
নিউজ ডেস্ক
দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের তিন মাস পর বড়সড় সাফল্য পেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ। লালকেল্লার সামনে সেই ভয়াবহ নাশকতার নেপথ্যে থাকা আরও দুই সক্রিয় সদস্যকে কাশ্মীর থেকে গ্রেফতার করেছেন তদন্তকারীরা। ধৃত জামির আহমেদ আহাঙ্গার এবং তুফাইল আহমেদ ভাট ওই হামলার মূল চক্রী উমরকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক জোগান দিয়েছিল বলে জানতে পেরেছে এনআইএ। এই নিয়ে এই মামলায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১।
তদন্তকারী সূত্রের খবর, ধৃত দু’জনই সন্ত্রাসী সংগঠন ‘আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দ’-এর অত্যন্ত সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে উপত্যকায় ‘ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কার’ হিসেবে কাজ করছিল। গত বছরের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার কাছে যে গাড়ি বিস্ফোরণে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল, তার মূল ঘাতক ছিল আত্মঘাতী বোমারু উমর উন নবি। এনআইএ-র দাবি, এই জামির ও তুফাইলই উমরের হাতে রাইফেল ও পিস্তল তুলে দিয়েছিল। ধৃতদের মঙ্গলবার দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টে পেশ করা হলে আদালত তাদের ১০ দিনের এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
উল্লেখ্য, এই ঘটনার জল গড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলেও। সম্প্রতি রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি রিপোর্টেও দিল্লির এই লালকেল্লা বিস্ফোরণের উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এখনও ভারতে সক্রিয় এবং তারাই এই হামলার নেপথ্যে ছিল। পাকিস্তান সরকার জইশ-এর অস্তিত্ব অস্বীকার করলেও রাষ্ট্রপুঞ্জের ৩৭তম রিপোর্ট বলছে ভিন্ন কথা। এনআইএ এখন এই দুই নতুন ধৃতকে জেরা করে জঙ্গি নেটওয়ার্কের শিকড়ে পৌঁছাতে চাইছে।

