‘দেশের রক্ষায় নিবেদিত সশস্ত্র বাহিনীর জন্য আমরা গর্বিত’, বিটিং রিট্রিট অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
বিটিং রিট্রিট অনুষ্ঠান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন যে, এটি প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের সমাপ্তির প্রতীক। এতে ভারতের সমৃদ্ধ সামরিক ঐতিহ্যের শক্তি প্রতিফলিত হবে। বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ সন্ধ্যায় বিটিং রিট্রিট অনুষ্ঠিত হবে। এটি প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের সমাপ্তির প্রতীক। এতে ভারতের সমৃদ্ধ সামরিক ঐতিহ্যের শক্তি প্রদর্শিত হবে। দেশের রক্ষায় নিবেদিত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য আমরা অত্যন্ত গর্বিত।”
তিনি একটি সংস্কৃত সুভাষিতও শেয়ার করেছেন, যেখানে একজন যোদ্ধার জয়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় জ্ঞান ও সম্মানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি লিখেছেন, “एको बहूनामसि मन्य ईडिता विशं विशं युद्धाय सं शिशाधि। अकृत्तरुक्त्वया युजा वयं द्युमन्तं घोषं विजयाय कृण्मसि॥” এই সুভাষিতের অর্থ হলো— “হে বীর! তোমার ক্রোধ বিবেকপূর্ণ হওয়া উচিত। তুমি সহস্রের মধ্যে এক শূরবীর। সম্মানের সাথে তোমার জনগণকে তুমি শাসন ও যুদ্ধ করতে শেখাও। তোমার সাথে আমরা বিজয়ের জন্য জয়ধ্বনি করতে চাই।”
উল্লেখ্য, ২৯ জানুয়ারি বিজয় চকে বিটিং রিট্রিট অনুষ্ঠানটি জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজিত হবে। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ব্যান্ডগুলো তাদের দেশাত্মবোধক ও মনোমুগ্ধকর সুর পরিবেশন করবে। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, উপ-রাষ্ট্রপতি সি.পি. রাধাকৃষ্ণন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বরিষ্ঠ আধিকারিক এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত থাকবেন।
প্রজাতন্ত্র দিবসের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি তিন দিন পর ২৯ জানুয়ারি শেষ হয়। একে ‘বিটিং দ্য রিট্রিট’ অনুষ্ঠান বলা হয়, যা বিজয় চকে অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি চিহ্নিত করে। ‘বিটিং রিট্রিট’ হলো বহু বছরের পুরনো এক সামরিক ঐতিহ্য। প্রাচীনকালে সূর্যাস্তের সময় যখন ‘রিট্রিট’-এর সুর বাজানো হতো, তখন সৈন্যরা যুদ্ধ থামিয়ে অস্ত্র খাপে ভরে নিতেন এবং যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে শিবিরে ফিরে যেতেন।

