লেটেস্ট নিউজ

নির্বাচনী অগ্নিপরীক্ষার মুখে জোড়াসাঁকোর ‘রিপোর্ট কার্ড’, আপদে-বিপদে মানুষের মুশকিল আসান বিবেক গুপ্তা

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাম্প্রতিক বঙ্গ সফরে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে উঠতেই জনপ্রতিনিধিদের পাঁচ বছরের কাজের খতিয়ান নিতে শুরু করেছে আমজনতা। কলকাতার অন্যতম জনাকীর্ণ কেন্দ্র জোড়াসাঁকোর বাসিন্দাদের কথায় উঠে আসছে বর্তমান বিধায়ক বিবেক গুপ্তার অবদানের কথা। কোভিড অতিমারী, দেশজুড়ে লকডাউন কিংবা বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস— সংকটের প্রতিটি মুহূর্তে স্থানীয়দের পাশে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের এই জনপ্রতিনিধি।

বড়বাজারের বাণিজ্যিক এলাকা থেকে গিরিশ পার্কের প্রাচীন জনপদ পর্যন্ত বিস্তৃত এই অঞ্চলে মানুষের অভিযোগ বা অভাব মেটানোর কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল বিধায়কের অফিস। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় বিচার না করেই আপামর মানুষের বিপদে সাড়া দিয়েছেন তিনি। মহামারীর কঠিন সময়ে সিটি কলেজ ও আমহার্স্ট স্ট্রিটের মতো এলাকায় সেফ হোম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন বিধায়ক। মনোজ সিনহার মতো অনেক ব্যবসায়ীই মনে করিয়ে দিচ্ছেন অক্সিজেনের অভাব বা হাসপাতালের শয্যা সংকটের সময় বিধায়কের দপ্তরের তৎপরতার কথা। একইভাবে কৃষ্ণাদেবীর মতো প্রবীণ নাগরিকরা পেয়েছেন লকডাউনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রী।

তৃণমূল স্তরে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি কোভিড যোদ্ধাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পোস্তা, গিরিশ পার্ক ও বউবাজার থানার মাধ্যমে হেলথ কিট বিলি করা হয়। ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসী শীতল দেবী কিংবা দিনমজুর মহম্মদ ইরফানদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ত্রাণ ও রেশন সামগ্রী। বাসিন্দাদের মতে, গত পাঁচ বছরে বিধায়কের কার্যালয়টি প্রশাসনিক দপ্তরের বদলে একটি নির্ভরযোগ্য জনসেবা কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। সাধারণ মানুষের এই ইতিবাচক মূল্যায়ন আগামী নির্বাচনে ব্যালট বাক্সে কতটা প্রতিফলন ঘটাবে, এখন সেটাই দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *