পিরিয়ড দেরিতে হওয়া কি বিপদের লক্ষণ? জেনে নিন চিকিৎসকদের মতামত – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
মাসিক এক-দুদিন দেরি হলেই অনেকের মনে আতঙ্ক কাজ করে, তবে চিকিৎসকদের মতে সব ক্ষেত্রে এটি গর্ভধারণ বা গুরুতর অসুখের লক্ষণ নয়। মূলত মস্তিষ্ক ও ডিম্বাশয়ের হরমোনের সূক্ষ্ম সমন্বয়ে এই চক্র নিয়ন্ত্রিত হয়। আধুনিক জীবনযাত্রার নানা পরিবর্তন এবং হরমোনের ভারসাম্যহীনতা অনেক সময় মাসিক চক্রে প্রভাব ফেলে, যা সাময়িকভাবে পিরিয়ডকে বিলম্বিত করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা ডিম্বস্খলন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের ওঠানামায় প্রভাব ফেলে। অনিয়মিত শিফটে কাজ করা বা রাত জাগার ফলেও মহিলাদের মধ্যে মাসিকের অনিয়ম বেশি দেখা যায়। দ্রুত ওজন পরিবর্তন এবং কঠোর শরীরচর্চাও এর অন্যতম কারণ।
পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস ও হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা পিরিয়ড নিয়মিত করার প্রাথমিক শর্ত। সাধারণত ২১ থেকে ৩৫ দিনের মাসিক চক্রকে স্বাভাবিক ধরা হয়। চিকিৎসকদের মতে, মাঝেমধ্যে কয়েকদিনের হেরফের উদ্বেগের কারণ না হলেও, যদি টানা দুই-তিন মাস বড় ধরনের অনিয়ম দেখা দেয়, তবে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

