পুরুষদের বীর্য কম হলে শরীরে যে ৭টি লক্ষণ দেখা দেয়! – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা ও সার্বিক স্বাস্থ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো বীর্য। শরীরে বীর্য বা শুক্রাণুর ঘাটতি দেখা দিলে শুধুমাত্র উর্বরতা নয়, বরং শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে শরীরে যে ৭টি সতর্কবার্তা ফুটে ওঠে, তা নিচে আলোচনা করা হলো:
১. মেজাজের আকস্মিক পরিবর্তন
শরীরে শুক্রাণু এবং সংশ্লিষ্ট হরমোনের ঘাটতি থাকলে পুরুষদের মধ্যে অকারণে বিরক্তি, বিষণ্ণতা বা মানসিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া এই সমস্যার অন্যতম প্রাথমিক লক্ষণ।
২. যৌনাঙ্গে ব্যথা বা অস্বস্তি
বীর্যের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে অনেক সময় যৌনাঙ্গে হালকা ব্যথা, টানটান ভাব বা জ্বালাপোড়া অনুভব হতে পারে। এটি অভ্যন্তরীণ কোনো সংক্রমণ বা শারীরিক জটিলতার ইঙ্গিত দেয়।
৩. অনিদ্রা ও ঘুমের ব্যাঘাত
হরমোনের সঠিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার কারণে ঘুমের স্বাভাবিক চক্র ব্যাহত হয়। এর ফলে অনিদ্রা বা গভীর ঘুমের অভাব দেখা দিতে পারে, যা শরীরকে আরও ক্লান্ত করে তোলে।
৪. যৌন আকাঙ্ক্ষা হ্রাস
শুক্রাণুর স্বল্পতা সরাসরি লিবিডো বা যৌন ইচ্ছার ওপর প্রভাব ফেলে। শারীরিক এবং মানসিক অবসাদের কারণে মিলনের প্রতি আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।
৫. ইরেক্টাইল ডিসফাংশন
শুক্রাণুর ঘাটতি এবং হরমোনের সমস্যার কারণে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গশিথিলতার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। এটি দাম্পত্য জীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।
৬. দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি ও দুর্বলতা
শরীরে পর্যাপ্ত বীর্য উৎপাদিত না হলে হরমোন নিঃসরণে বিঘ্ন ঘটে। এর ফলে কোনো ভারী কাজ না করেও সারাদিন শরীর ভীষণ দুর্বল এবং অবসন্ন মনে হয়।
৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া
বীর্যের পরিমাণ কমে যাওয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার (Immunity) ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর ফলে শরীরে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে এবং খুব দ্রুত অসুস্থ হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়।

