লেটেস্ট নিউজ

পুরুষাঙ্গের আকৃতি কি নিছকই জৈবিক? বিবর্তন নিয়ে উঠে এল চমকপ্রদ তথ্য – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানীদের মতে, পুরুষের জননেন্দ্রিয়ের আকৃতির পেছনে কেবল প্রজনন নয়, বরং আরও দুটি প্রধান লক্ষ্য রয়েছে বলে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে।

১. সঙ্গিনীকে আকর্ষণ করা:

মানুষ পোশাক পরা শুরু করার অনেক আগে থেকেই সোজা হয়ে হাঁটতে শিখেছে। বিবর্তনের এই ধারায় উচ্চতা এবং ‘V’ আকৃতির শরীরের পাশাপাশি জননেন্দ্রিয়ের গঠনও নারীদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে ওঠে।

  • বায়োলজিক্যাল সিগন্যাল: গবেষকদের মতে, আদিম যুগে অঙ্গের আকার ছিল সুস্বাস্থ্যের এবং সক্ষমতার প্রতীক। প্রায় ৮০০ জনের ওপর চালানো একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, লম্বা এবং সুঠাম দেহের পাশাপাশি সঠিক শারীরিক গঠনসম্পন্ন পুরুষদের প্রতি নারীরা বেশি আকৃষ্ট হন। তবে একটি নির্দিষ্ট সীমার পর আকারের বৃদ্ধি আকর্ষণের ক্ষেত্রে আর বড় কোনো প্রভাব ফেলে না।

২. প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি:

পুরুষদের দৃষ্টিভঙ্গিতে এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যটি একটি ‘হুমকি’ বা থ্রেট হিসেবে কাজ করে। নিজেদের চেয়ে বড় অঙ্গের অধিকারী পুরুষকে অন্য পুরুষরা শক্তিশালী বা নারীদের কাছে বেশি আকর্ষণীয় বলে মনে করে। অর্থাৎ, এটি প্রতিদ্বন্দ্বীদের মানসিকভাবে দমিয়ে রাখতে বা ভয় দেখাতে ব্যবহৃত হতো বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মূল লক্ষ্য আসলে কী?

গবেষণায় দেখা গেছে, শত্রুদের ভয় দেখানোর চেয়ে সঙ্গিনীকে আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে এই আকারের ভূমিকা ৪ থেকে ৭ গুণ বেশি কার্যকর। অর্থাৎ, বিবর্তনের ধারায় নারীদের পছন্দের ওপর ভিত্তি করেই পুরুষের এই অঙ্গের বিকাশ ঘটেছে বলে গবেষকরা ব্যাখ্যা করেছেন।

প্রাণিজগতের সাথে তুলনা:

গরিলা বা এই জাতীয় বিশাল প্রাণীদের পুরুষাঙ্গের আকার সাধারণত মাত্র ৩ সেন্টিমিটার (১.২ ইঞ্চি) হয়। অন্যান্য শিম্পাঞ্জি বা বানর প্রজাতির ক্ষেত্রে অঙ্গের আকারের চেয়ে বীর্যের পরিমাণের গুরুত্ব বেশি। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এটি কেবল প্রজনন নয়, একটি ‘নান্দনিক বৈশিষ্ট্য’ (Aesthetic trait) হিসেবেও কাজ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *