“বড় কিছু ঘটতে চলেছে..” পেন্টাগনে হঠাৎ করে পিৎজার অর্ডার বেড়ে গেল – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
ওয়াশিংটন: মার্কিন সামরিক সদর দপ্তর পেন্টাগনে হঠাৎ করেই পিৎজার অর্ডার আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। সাধারণ সময়ের তুলনায় এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এখন আন্তর্জাতিক মহলে এক রহস্যময় সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে পেন্টাগনের এই ‘পিৎজা মিটার’ নতুন করে যুদ্ধের দামামা বাজার জল্পনা উসকে দিয়েছে।
‘পিৎজা মিটার’ ও যুদ্ধের সমীকরণ
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, পিৎজার অর্ডারের সাথে সামরিক অভিযানের সম্পর্ক কী? আসলে একে বলা হয় ‘পিৎজা মিটার’। ইতিহাস বলছে, পেন্টাগনে যখনই কোনো বড় সামরিক পরিকল্পনা বা জরুরি মিশন নিয়ে আলোচনা চলে, তখন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও কর্মীদের দীর্ঘ সময় ডেস্কে কাটাতে হয়। ওভারটাইম কাজ করার সময় ঘরে ফেরার সুযোগ না থাকায় তারা দলে দলে পিৎজা অর্ডার করেন। অতীতেও বেশ কিছু বড় যুদ্ধের আগে পেন্টাগনের নিকটস্থ পিৎজা শপগুলোতে অর্ডারের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ার নজির রয়েছে।
কেন এই তৎপরতা?
বর্তমানে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি চরম উত্তাল। হিজাব বিরোধী আন্দোলন এবং খামেনি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ১০০০ ছাড়িয়েছে বলে আসামর্থিত সূত্রে খবর। এর মাঝে আবার একটি ইরানি টিভি চ্যানেল থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইতিপূর্বেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হলে আমেরিকা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। এই প্রেক্ষাপটে পেন্টাগনের কর্মব্যস্ততা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ওয়াশিংটন হয়তো ইরানের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।
নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া ও বর্তমান অবস্থা
পিৎজা ট্র্যাকারের তথ্য অনুযায়ী, পেন্টাগন সংলগ্ন দোকানগুলোতে পিৎজার অর্ডার প্রায় ২৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অনেক নেটিজেন মনে করছেন, আমেরিকার আর সময় নষ্ট না করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যদিও মার্কিন প্রশাসন বা পেন্টাগন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই অস্বাভাবিক অর্ডার বৃদ্ধি নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

