বাংলাদেশে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ ও রাজনৈতিক ডামাডোল: ঘনীভূত হচ্ছে সংকট
বাংলাদেশে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক নাটকীয়তা এখন আঞ্চলিক অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ নম্বর ক্রিকেট জার্সি পরে প্রতীকী প্রতিবাদের মাধ্যমে শপথ নেওয়ায় ভারত-বিরোধিতার উগ্র বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। জামাত-এনসিপি জোট সংবিধান সংস্কারের দাবিতে অনড় থেকে রাজনৈতিক ব্ল্যাকমেইলের পথ বেছে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে, যা নির্বাচিত বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝে এনসিপি ও জামাত প্রথমে মন্ত্রিসভা বয়কটের ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছে। এই রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংস্কারের নামে সংবিধান পরিবর্তনের উদ্যোগ মূলত উগ্র মৌলবাদী শক্তির প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা। এতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এখন এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
বিশ্ব দরবারে নিজেদের অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাবমূর্তি বজায় রাখতে সরকারে নিতাই রায়চৌধুরী ও দীপেন দেওয়ানের মতো সংখ্যালঘু প্রতিনিধিদের যুক্ত করা হয়েছে। তবে সমালোচকদের মতে, এটি নিছকই একটি রাজনৈতিক কৌশল। কারণ বাস্তবে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ধারাবাহিক হামলা ও নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি এখনো অমীমাংসিতই রয়ে গেছে, যা বর্তমান শাসনব্যবস্থার সদিচ্ছাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

