বাংলার যুবসাথী প্রকল্প: মাসে ১৫০০ টাকা কি মহিলারাও পাবেন? জানুন বিস্তারিত – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা কি কেবল পুরুষদের জন্য, নাকি মহিলারাও এর আওতায় আসবেন? বাজেটে এই নিয়ে কী জানানো হয়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে কৌতূহল ছিল। সম্প্রতি রাজ্য বাজেটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক জনমুখী ঘোষণা করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ হলো এই ‘যুবসাথী’ প্রকল্প।
ভোটের আগে অন্তর্বর্তী বাজেটে মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অনুদান ৫০০ টাকা বাড়িয়ে মাসিক ১০০০ ও ১২০০ (তফসিলি জাতি/উপজাতির জন্য) টাকা করেছেন। এছাড়াও সিভিক ভলেন্টিয়ার, আশাকর্মী ও পার্শ্ব শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি এবং সরকারি কর্মীদের জন্য ৪ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি বেকারদের জন্য ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের মাসিক ভাতা ঘোষণাটি সবথেকে বেশি নজর কেড়েছে।
মহিলারা কি যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন?
হ্যাঁ, যুবসাথী প্রকল্পের নাম শুনে অনেকের মনে সংশয় থাকলেও সরকার স্পষ্ট করেছে যে এটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গের জন্য নয়। বেকার যুবক এবং যুবতী—উভয়ই এই প্রকল্পের জন্য সমানভাবে আবেদন করতে পারবেন এবং মাসিক অনুদান পাবেন।
আবেদনের যোগ্যতা ও শর্তাবলী
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: আবেদনকারীকে ন্যূনতম মাধ্যমিক পাশ হতে হবে।
- বয়সসীমা: আবেদনকারীর বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। এই সীমার বাইরে কেউ আবেদন করতে পারবেন না।
- ভাতার পরিমাণ: এই প্রকল্পের অধীনে প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
- সময়সীমা: এই ভাতা আজীবন পাওয়া যাবে না। বাজেট অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত এই সুবিধা মিলবে। তবে এর মধ্যে আবেদনকারী চাকরি পেয়ে গেলে ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে।
- অন্যান্য ভাতা: যদি কেউ অন্য কোনো সরকারি সামাজিক সুরক্ষা ভাতা পেয়ে থাকেন, তবে তিনি এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। তবে পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে স্কলারশিপ বা বৃত্তি পাওয়ার সাথে যুবসাথী প্রকল্পের কোনো বিরোধ নেই; অর্থাৎ স্কলারশিপ পেলেও এই ভাতা পাওয়া সম্ভব।
উল্লেখ্য, প্রকল্পটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি। নির্বাচনের পর এই প্রকল্প কার্যকর হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

