বাজেট ২০২৬: আবাসন খাত কি এবার ‘শিল্পের মর্যাদা’ পাবে? – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
এবারের কেন্দ্রীয় বাজেট রবিবার পেশ হতে চলেছে। আবাসন বা রিয়েল এস্টেট খাতের দীর্ঘদিনের দাবি— এই ক্ষেত্রকে পূর্ণাঙ্গ ‘শিল্পের মর্যাদা’ দেওয়া হোক। এই লক্ষ্যে সরকারের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব পাঠিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।
দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো— জমির রেকর্ড অনলাইন করা, দ্রুত অনুমোদনের জন্য ‘সিঙ্গেল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স’ ব্যবস্থা চালু করা এবং আবাসন চাহিদা বাড়াতে সহায়ক নীতি গ্রহণ। বিল্ডারদের মতে, শিল্পের মর্যাদা পেলে সস্তায় দীর্ঘমেয়াদী ঋণ মিলবে এবং অর্থায়নের নতুন উৎস তৈরি হবে।
জিডিপিতে অবদান
সিগনেচার গ্লোবাল-এর চেয়ারম্যান প্রদীপ আগরওয়াল জানান, বর্তমানে ভারতের জিডিপিতে আবাসন খাতের অবদান প্রায় ৭ শতাংশ। শিল্পের মর্যাদা পেলে এবং সঠিক নীতিগত সহায়তা থাকলে ২০৪৭ সালের মধ্যে এই অবদান ১৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। ট্রাইবেকা ডেভেলপারস-এর সিইও রজত খন্ডেলওয়াল এবং স্টার্লিং ডেভেলপারস-এর এমডি রমানি শাস্ত্রীর মতে, সস্তা তহবিল ও সহজ নিয়ম এই খাতের প্রকৃত সম্ভাবনাকে উন্মোচিত করবে।
সিঙ্গেল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স ও ডিজিটালাইজেশন
ডেভেলপাররা একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সমস্ত দপ্তরের ছাড়পত্র পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। টিআরজি গ্রুপের এমডি শোরাব উপাধ্যায় এবং নোটান্ডাস রিয়েলটির এমডি হর্ষ জগওয়ানি জোর দিয়ে বলেন যে, লালফিতার ফাঁস কমাতে এবং স্বচ্ছতা বাড়াতে সিঙ্গেল-উইন্ডো সিস্টেম ও জমির রেকর্ড ডিজিটাল করা জরুরি। এতে প্রকল্পের গতি বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের ঘর কেনা সহজ হবে। রেরা (RERA)-র অধীনে কঠোর এসক্রো নিয়ম ও স্পষ্ট মালিকানা রেকর্ড থাকলে বিনিয়োগের ঝুঁকি ও অর্থায়নে দেরি— উভয়ই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

