বাস্তুদোষ কাটাতে ও আর্থিক সমৃদ্ধি ফেরাতে হোলির আগে মেনে চলুন এই নিয়ম
আসন্ন দোল বা হোলি উৎসবকে কেন্দ্র করে অশুভ শক্তি বিনাশ ও সুখ-সমৃদ্ধি ফেরাতে বিশেষ বাস্তু বিধির কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। শাস্ত্র মতে, হোলিকা দহন বা ন্যাড়া পোড়ানোর রাতে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম পালন করলে গৃহের দীর্ঘদিনের বাস্তুদোষ ও অর্থকষ্ট দূর হওয়া সম্ভব। উত্তর ভারত থেকে শুরু করে বাংলার ঘরে ঘরে এই রীতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।
পারিবারিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে উৎসবের আগেই বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণ পরিষ্কার রাখা জরুরি, কারণ এই দিকটি দেবশক্তির আধার। এছাড়া হোলিকা দহনের সময় আগুনের চারদিকে সাতবার পরিক্রমা করলে নেতিবাচক শক্তি দূর হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। অনেকে এই পবিত্র আগুনের শিখা বাড়িতে এনে স্থাপন করেন, যা শান্তি বজায় রাখতে সহায়ক।
বাস্তুবিদদের মতে, নেতিবাচকতা দূর করতে ভাঙা আসবাবপত্র বা অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাড়ি থেকে সরিয়ে ফেলা উচিত। এছাড়া হোলিকার আগুনে কাঁচা গম নিবেদন করা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে গণ্য হয়। এই ছোটখাটো আচারগুলো পালনের মাধ্যমে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এবং আর্থিক স্থিতি আনা সম্ভব বলে মনে করেন আধ্যাত্মিক বিশেষজ্ঞরা।

