বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর তুলনায় বাংলায় বেকারত্বের হার নিম্নমুখী, দাবি তৃণমূলের
পশ্চিমবঙ্গে গত ১৫ বছরের শাসনামলে বেকারত্বের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধীরা ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে উপচে পড়া ভিড়কে কর্মসংস্থানের বেহাল দশা হিসেবে চিহ্নিত করলেও, পাল্টা পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে শাসক দল। তাদের দাবি অনুযায়ী, ২০১১ সালে পরিবর্তনের পর রাজ্যে বেকারত্বের হার বর্তমানে মাত্র ৩.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা অনেক বিজেপি শাসিত রাজ্যের তুলনায় অনেক কম।
তৃণমূলের পেশ করা তথ্যে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি ও এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলোতে বেকারত্বের সমস্যা প্রকট। আসামে বেকারত্বের হার ৮.৫ শতাংশ, রাজস্থানে ৮.৫ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে ৬.১ শতাংশ এবং ওড়িশায় ৬.২ শতাংশ। এছাড়া দীর্ঘ ২০ বছরের গেরুয়া শাসনে ছত্তিশগড়ে এই হার ৭.৮ শতাংশ এবং নীতীশ কুমারের বিহারে ৭.৭ শতাংশে পৌঁছেছে। এই পরিসংখ্যানের মাধ্যমে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর কর্মসংস্থান নীতির ব্যর্থতাকেই সামনে আনা হয়েছে।
সার্বিকভাবে তৃণমূলের দাবি, দেশজুড়ে বেকারত্ব একটি জ্বলন্ত ইস্যু হলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার তা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। বিরোধীদের সমালোচনাকে খণ্ডন করে শাসক পক্ষ জানাচ্ছে, গেরুয়া শিবিরের রাজ্যগুলো যখন বেকারত্বের অন্ধকারে ডুবে আছে, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ব্যতিক্রমী ও সদর্থক পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। কর্মসংস্থানের এই তুলনামূলক চিত্রটি বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে বেশ চর্চিত হচ্ছে।

