মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ! পৃথিবীর এই রহস্যময় দরজাগুলোর ওপারে কী আছে? – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
পৃথিবীর বুকে এমন কিছু প্রাচীন স্থাপত্য রয়েছে, যেগুলোর প্রবেশপথ যুগ যুগ ধরে রহস্যময় কারণে তালাবন্ধ। আগ্রার তাজমহলের নিচে অবস্থিত ২২টি গোপন কক্ষ নিয়ে যেমন হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ থাকার বিতর্ক রয়েছে, তেমনি কেরলের পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের ‘ভল্ট বি’ ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে আজও অস্পৃশ্য। জনশ্রুতি অনুযায়ী, প্রাচীন শাস্ত্রীয় আচার ছাড়া এই দরজা খোলা আসাম্ভব, যার ওপারে লুকিয়ে থাকতে পারে বিপুল ধনসম্পদ।
বিদেশের মাটিতেও এমন রহস্যের হাতছানি রয়েছে। মিশরের গ্রেট স্ফিংসের গায়ে খোদাই করা ক্ষুদ্র দরজাটি স্থাপত্য ভেঙে পড়ার ভয়ে খোলা হয় না। আবার ভ্যাটিকান অ্যাপোস্টলিক আর্কাইভের লোহার দরজাটি কেবল হাতেগোনা পণ্ডিতদের জন্য উন্মুক্ত, যেখানে সংরক্ষিত আছে বিশ্ব ইতিহাসের বহু গোপন নথি। জাপানের হিমুরো ম্যানশনের ‘বরফের দরজা’ ঘিরেও প্রচলিত আছে অশুভ শক্তিকে আটকে রাখার রোমাঞ্চকর লোকগাথা।
তাজমহল থেকে ভ্যাটিকান—এই প্রতিটি বন্ধ দরজার নেপথ্যে রয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ, ঐতিহাসিক সত্য কিংবা স্রেফ লোকবিশ্বাস রক্ষার তাগিদ। বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষের যুগেও এই খিলানগুলো আজও মানুষের নাগালের বাইরে। মূলত প্রাচীন ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই প্রবেশপথগুলোকে চিরতরে সিল করে রাখা হয়েছে, যা আধুনিক বিশ্বেও এক অমীমাংসিত কৌতূহল হয়ে টিকে আছে।

