যোগেন্দ্র ভাদোরিয়ার বিধ্বংসী ইনিংস, ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
ভারত ও ইংল্যান্ডের মিক্সড ডিসঅ্যাবিলিটি দলের মধ্যে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। জয়ের মাধ্যমেই এই সিরিজের শুভসূচনা করল ভারতীয় দল। গ্রেটার নয়ডার শহীদ বিজয় সিং পথিক স্টেডিয়ামে আয়োজিত প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত।
ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ১৭৩ রান
টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। ইংরেজ অধিনায়ক ক্যালাম ফ্লিন ১৬ বলে ২৬ রান করে দলকে ঝোড়ো সূচনা এনে দেন। অন্যদিকে লিয়াম ও’ব্রায়েন ৪১ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলে দলের হাল ধরেন। নিজের ইনিংসে তিনি ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান।
গ্রান্টের ব্যাটে ১৭০ পার
উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান অ্যাঙ্গাস গ্রান্ট ব্রাউন শেষ দিকে রানের গতি বাড়িয়ে ৩৪ বলে ৫৩ রান করেন। এর ফলে ইংল্যান্ডের স্কোর ১৭০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায়। ভারতের পক্ষে বোলার আকাশ সিং এবং বিবেক কুমার গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে বড় পার্টনারশিপ গড়তে বাধা দেন এবং রান নিয়ন্ত্রণে রাখেন।
৭ বল বাকি থাকতেই ভারতের জয়
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভারত অত্যন্ত সংযতভাবে খেলে ১৮.৫ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ভারতের এই জয়ের নায়ক হলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান যোগেন্দ্র ভাদোরিয়া। তিনি ৫৯ বলে ৯৪ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৫টি ছক্কা, যা রান তাড়া করার ক্ষেত্রে দলকে শক্তি ও গতি প্রদান করে। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য যোগেন্দ্র ভাদোরিয়াকে ‘প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত করা হয়েছে।
যোগেন্দ্রকে যোগ্য সঙ্গ দেন আকাশ সিং, যিনি মাত্র ১৫ বলে বিধ্বংসী ৩৬ রান করে ইংল্যান্ডের বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এছাড়া অর্জুন গাভরে ১৩ রান করেন। মজিদ (১২ অপরাজিত) এবং অধিনায়ক রবীন্দ্র সান্তে (১১ অপরাজিত) আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ভারতকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
ম্যাচ শেষে যোগেন্দ্র ভাদোরিয়া বলেন, “এই পুরস্কার আমার কাছে অনেক মূল্যবান, তবে এটি আসলে পুরো দলের প্রাপ্য। আমরা আত্মবিশ্বাসের সাথে খেলেছি এবং এমন একটি সিরিজে অবদান রাখা বিশেষ কিছু, যা অন্তর্ভুক্তি এবং সমান সুযোগের প্রতীক।”
এই জয়ের ফলে ভারত সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল। শারীরিক, শ্রবণ এবং বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধী খেলোয়াড়দের একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে একত্রিত করে অন্তর্ভুক্তিকরণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই এই সিরিজটি আয়োজন করা হয়েছে।

