শরবত নাকি ফলের রস? রুহ আফজা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বড় রায় – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
গরমের জনপ্রিয় পানীয় রুহ আফজাকে ঘিরে চলা দীর্ঘ এক দশকের আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটাল Supreme \titleonly কোর্ট। এটি ‘শরবত’ নাকি ‘ফ্রুট জুস’—এই অমীমাংসিত প্রশ্নের ফয়সালা করে হামদর্দ ল্যাবরেটরিজের পক্ষে রায় দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
বিচারপতি বি ভি নাগরত্না এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, রুহ আফজা একটি ‘ফ্রুট ড্রিঙ্ক’। শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনে ‘শরবত’ হিসেবে প্রচার করা হয় বলে একে বেশি করের আওতায় রাখা যাবে না। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে রুহ আফজার ওপর এখন থেকে মাত্র ৪ শতাংশ ভ্যাট (VAT) প্রযোজ্য হবে।
কী ছিল মূল বিতর্ক?
এই আইনি লড়াইয়ের সূত্রপাত উত্তরপ্রদেশ ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স (UPVAT) নিয়ে। হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ শুরু থেকেই রুহ আফজাকে ফ্রুট ড্রিঙ্ক হিসেবে গণ্য করে ৪ শতাংশ ভ্যাট জমা দিচ্ছিল। তবে উত্তরপ্রদেশের বাণিজ্যিক কর বিভাগ এটিকে ‘নন-ফ্রুট সিরাপ’ হিসেবে চিহ্নিত করে ১২.৫ শতাংশ ট্যাক্স দাবি করে। কর কর্মকর্তাদের যুক্তি ছিল, কোনো পানীয়কে ফ্রুট সিরাপ হতে গেলে তাতে কমপক্ষে ২৫ শতাংশ ফলের রস থাকতে হবে, যেখানে রুহ আফজায় রয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ। ২০১৮ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টও কর বিভাগের পক্ষেই রায় দিয়েছিল।
হাইকোর্টের যুক্তি খারিজ Supreme \titleonly কোর্টে
এলাহাবাদ হাইকোর্টের দেওয়া যুক্তি খারিজ করে দিয়ে Supreme \titleonly কোর্ট জানায়, রুহ আফজাতে ১০ শতাংশ ফলের রসের পাশাপাশি ইনভার্ট সুগার সিরাপ এবং হার্বাল ডিস্টিলেট থাকে। এটি জল বা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার জন্য তৈরি। তাই উত্তরপ্রদেশ ভ্যাট আইনের অধীনে একে ‘ফ্রুট ড্রিঙ্ক’ বিভাগেই রাখতে হবে। এই ঐতিহাসিক রায়ের ফলে ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সময়ের জন্য কো ম্পা নিকে ১২.৫ শতাংশের বদলে মাত্র ৪ শতাংশ হারে কর দিতে হবে।

